লাইফস্টাইল ডেস্ক । ডা. সঞ্চিতা বর্মন

সারা পৃথিবীতে প্রায় শতকরা ৪৫ ভাগ সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ কখনো না কখনো ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন। মজার ব্যাপার হলো যারা নাক ডাকেন তারা নিজেরা টের পান না কিন্তু অন্যদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটান।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
তবে যে যাই কৌতুক করুক না কেন নাক ডাকা আসলে কোনো ভালো লক্ষণ নয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নাক ডাকেন তাদের প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগই স্লিপিং অ্যাপনিয়াতে (ঘুমের মধ্যে কিছুক্ষণের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া) আক্রান্ত হন; যা পরবর্তীতে হৃদরোগে পরিণত হতে পারে।
বেশ কিছু কারণে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার শব্দ হতে পারে। তার মধ্যে রয়েছে সাইনাসের সমস্যা, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, মদ্যপান, ঘুমের ওষুধ গ্রহণ, অতিরিক্ত খাওয়া, সরু গলা, তালুতে ফাটল, বড় এডেনয়েড, নোংরা বিছানা বা বালিশে শোয়া, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করা ইত্যাদি।
নাক ডাকা সমস্যা হলেও এটি যেন বড় সমস্যায় পরিণত না হয় তার জন্য শুরুতেই সচেতন থাকতে হবে। তা হলে ধীরে ধীরে নাক ডাকা কমে আসবে। তার জন্য শরীরের ওজন কমাতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করতে হবে, ঘুমের ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
এক্ষেত্রে উঁচু বালিশ ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া চিত হয়ে না শুয়ে কাঁত হয়ে শোয়ার অভ্যাস করতে হবে। সাইনাসের সমস্যা বা অডেনয়েড থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিত্সা নিতে হবে।
 খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/11/140.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/11/140-300x214.jpgশিশির সমরাটস্বাস্থ্য কথা
লাইফস্টাইল ডেস্ক । ডা. সঞ্চিতা বর্মন সারা পৃথিবীতে প্রায় শতকরা ৪৫ ভাগ সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ কখনো না কখনো ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন। মজার ব্যাপার হলো যারা নাক ডাকেন তারা নিজেরা টের পান না কিন্তু অন্যদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটান।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। তবে যে যাই কৌতুক করুক না কেন নাক ডাকা আসলে...