image_264439.parlament_bg_410036105
স্বাস্থ্যখাতের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দিন খান বাদল। তিনি বলেন, স্বাধীনতার এতদিন পরও স্বাস্থ্যখাতে কোন কমপিটেন্ট উন্নয়ন করতে পারি নাই। একটা উদাহরণ আমাদের প্রেসিডেন্ট স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বাইরে যা, আমরাও যাই, মন্ত্রীরাও যান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীও যান। আপনারাই যদি দেশের স্বাস্থ্য সেবার উপরে বিশ্বাস না করেন তাহলে জনগণ বিশ্বাস করবে কিভাবে?
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত নিজেই সবচাইতে বেশী অসুস্থ, ওরা আবার মানুষের কি সেবা করবে। সরকারী হাসপাতালে যন্ত্রপাতি কেনার নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা হচ্ছে। এর প্রতিকার কী? স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যন্ত্রপাতি ক্রয়সহ বিভিন্ন দুর্নীতি নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করে মন্ত্রীর কাছে ৩০০বিধিতে বিবৃতি দাবি করেন তিনি।
মইনউদ্দিন খান বাদল বলেন, দেশে যদি অনেক কিছু ব্যর্থ হয়। ধরুন দুর্নীতি নিয়ে যাদের কাজ করার কথা সেই দুদক নিয়েও যদি প্রশ্ন ওঠে। তখন আলটিমেটলি আপনি (স্পিকার) যেখানে নেতৃত্বে দিচ্ছেন মানুষ তখন সেই পার্লামেন্টের দিকেই থাকিয়ে থাকবে। তিনি বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান আইএমএডি তার পর্যবেক্ষণে বলছে, দেশের হাসপাতালের ৬৫ভাগ মেশিন অকেজো। ২২টি জেলা সদরের ৪২ ভাগ এক্সওে মেশিন অচল। মেডিকেল কলেজগুলো ৬০ভাগ এক্সরে মেশিন অচল। ৫০ভাগ আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন কাজ করে না এবং প্রয়োজন নাই এমন যন্ত্রপাতি হরহামেশাই কিনছে। ব্যবহারের অভাবে এসব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেও উলেখ করেন তিনি।
মুগদা হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রে লুটপাট ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এগুলো নিয়ে অলরেডি প্রশ্ন উঠে গেছে। ৪শ কোটি লুটপাট হয়েছে। আমাদের হৃদরোগ ইনস্টিটিউটটাই তো একটা হৃদরোগী। তার কারণ হল এই হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে যন্ত্রপাতি আর ওষুধ কেনার নামে ৯৭ কোটি টাকার অনিয়ম আছে বলা হয়েছে। এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তদন্ত করেছে। ১৩ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে। তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরে মহাখালীর কাছে তিনটি সরকারি মেডিকেল প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারা শুধু ফটোকপিতে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে। তারা এক বছরে এক কোটি ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৩২০ টাকা খরচ করেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে আপনি নতুন নতুন যত শ্লোগানই দেন না কেন, এতে জনগণের হৃদয় খুলবে না বলেও যোগ কওে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এসময় স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সরকারের শরিক দলীয় সংসদ সদস্য বলেন, প্রয়োজনে আপনার পক্ষ থেকে পার্লামেন্টের প্র্যাকটিসের মধ্য থেকে পার্লামেন্টারি অ্যাকশন বিবেচনা করুন।

বাহাদুর বেপারীজাতীয়
স্বাস্থ্যখাতের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দিন খান বাদল। তিনি বলেন, স্বাধীনতার এতদিন পরও স্বাস্থ্যখাতে কোন কমপিটেন্ট উন্নয়ন করতে পারি নাই। একটা উদাহরণ আমাদের প্রেসিডেন্ট স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বাইরে যা, আমরাও যাই, মন্ত্রীরাও যান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীও যান। আপনারাই যদি দেশের স্বাস্থ্য সেবার উপরে বিশ্বাস না করেন তাহলে জনগণ বিশ্বাস...