চট্টগ্রাম অফিস । হাটহাজারী সংবাদদাতা
কোন কিছুতেই থামছে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জেল-জরিমানা করেও ঠেকাতে পারছে না প্রভাবশালীদের এই রমরমা ব্যবসা। বরং বালু উত্তোলনের ব্যবসা যেন দিন দিন ফুলে ফেঁপে উঠছে। আর অযাচিতভাবে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে হালদা নদীর উভয় পাড়ের বহু বাড়ি-ঘর ও স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই হালদা নদীর নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন থেকে শুরু করে মদুনাঘাট এলাকা পর্যন্ত বিভিন্ন স্পট থেকে রাতের অন্ধকারে এমনকি প্রকাশ্য দিবালোকে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে এক শ্রেণির অবৈধ বালু ব্যবসায়ী। তারা নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে পাইপ দিয়ে সরাসরি বালু নিয়ে নদীর পাড়ে জমা করে বিক্রি করছে। এতে করে নদী পাড়ের মাটি আলগা হয়ে জমি, বাড়ি-ঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে। আবার অনুমোদন বিহীন এসব ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় সরকার রাজস্বও হারাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়দের অনেকেই ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের উত্তর মেখল মোনাব্বর হুজুর বাড়ী এলাকা ঘেঁষে হালদা নদী থেকে ৪টি ড্রেজার দিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে নদীর বিভিন্ন স্পট থেকে বিরামহীনভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। এসব বালু স্তূপাকারে জমা হচ্ছে নদীর পূর্ব পাড়ে তথা রাউজান উপজেলাধীন এলাকায়। এর ফলে এ এলাকায় একদিকে প্রচণ্ড শব্দ দূষণ ও অপরদিকে নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদী পাড়ের ঘর-বাড়িগুলো ভাঙ্গনের হুমকিতে আছে। স্থানীয়রা নদী থেকে অযাচিতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।তবে কারা এ বালু উত্তোলন করছে সে বিষয়ে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন উপজেলাধীন হালদা নদী অংশে ইতোপূর্বে বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করে ড্রেজার ও বালু জব্দ করেছে। তখন বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জরিমানাও করা হয়। তবে কিছুদিন যেতে না যেতেই নদী থেকে ফের বালু উত্তোলন শুরু হয়।

এ ব্যাপারে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার উননেছা শিউলী ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা এর আগেও অবৈধ ড্রেজার আটক ও উত্তোলনকৃত বালু জব্দ করেছি। ধ্বংস করেছি বালু উত্তোলনের পাইপও। হাটহাজারী অংশে অবৈধ ড্রেজার দ্বারা বালু উত্তোলন করার সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই। হাটহাজারী অংশে বালু উত্তোলনকারীদের বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি।’

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2018/01/11.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2018/01/11-300x300.jpgজান্নাতুল ফেরদৌস মেহরিনস্বদেশের খবর
চট্টগ্রাম অফিস । হাটহাজারী সংবাদদাতা কোন কিছুতেই থামছে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জেল-জরিমানা করেও ঠেকাতে পারছে না প্রভাবশালীদের এই রমরমা ব্যবসা। বরং বালু উত্তোলনের ব্যবসা যেন...