আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।
চলমান যুদ্ধাবস্থার মধ্যেই সিরিয়ায় নারীদের দুর্দশার যেনো কোনো শেষ নেই। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে দেশটিতে ত্রাণ দেবার সময় স্থানীয় লোকেরা সেখানকার নারীদের যৌন কাজে ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

ওইসব দাতা সংস্থার ত্রাণ কর্মীরা বলেছেন, খাদ্য সাহায্য এবং তাদের গাড়িতে করে কোথাও পৌঁছে দেবার বিনিময়ে ওই লোকেরা যৌন সুবিধা নিতো। যৌন শোষণ সেখানে এতটাই ব্যাপক যে কিছু সিরিয়ান নারী ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রেই যেতেন না- কারণ তাহলে লোকে ভাববে যে তারা দেহদান করে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এসেছে।
কেয়ার এবং আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটি (আইআরসি) নামে দুটি মানবিক সংস্থা ২০১৫ সালেই সতর্ক করে দিয়েছিল যে এমন ঘটনা ঘটছে। কিন্তু গত বছরেও ইউএনএফপিএ’র একটি রিপোর্টে দেখা যায় যে দক্ষিণ সিরিয়ায় ‘ত্রাণের বিনিময়ে যৌন সুবিধা নেয়া’ অব্যাহত রয়েছে।
একজন ত্রাণকর্মী দাবি করেছেন যে, লোকজনের হাতে ত্রাণ পৌঁছানোর স্বার্থে তারা এসব দেখেও না দেখার ভান করেছিলেন। ইউএনএফপিএর ভয়েসেস ফ্রম সিরিয়া ২০১৮ নামে এক রিপোর্টে বলা হয়, বিশেষ করে বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তা নারী বা অল্পবয়েসী মেয়ে ‘যাদের কোনো পুরুষ রক্ষক নেই’ তাদের এরকম বিপদের ঝুঁকি বেশি। কোনো কোনো নারী বলেছে, দারা এবং কুনেইত্রার স্থানীয় কাউন্সিলের পুরুষ কর্মীরা ত্রাণসামগ্রী আটকে রেখে নারীদের যৌন কাজে ব্যবহার করতো- জানান ডানিয়েল স্পেন্সার নামে একটি দাতব্য সংস্থার উপদেষ্টা।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। সূত্র : বিবিসি।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2018/02/442.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2018/02/442-300x300.jpgশিশির সমরাটআন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক । চলমান যুদ্ধাবস্থার মধ্যেই সিরিয়ায় নারীদের দুর্দশার যেনো কোনো শেষ নেই। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে দেশটিতে ত্রাণ দেবার সময় স্থানীয় লোকেরা সেখানকার নারীদের যৌন কাজে ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। ওইসব দাতা সংস্থার ত্রাণ কর্মীরা বলেছেন, খাদ্য সাহায্য এবং...