image_250391.rape5-655x360
চট্টগ্রামে এক তরুণীকে জিম্মি করে জোর করে দেহব্যবসা করানোর অভিযোগে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুই নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের জিম্মিদশা থেকে তরুণীটিকেও উদ্ধার করা হয়। বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন : নগরীর চান্দগাঁও থানার ফরিদা পাড়া এলাকার বদিউল আলম (৩৫) ও তার স্ত্রী মণি বেগম (৩২), বদিউলের সহযোগী বেবি আক্তার (৩০), ওমর ফারুক (২৫), আরিফুল ইসলাম (১৯), আবু তালেব (৪৫) ও মো. আলমাস (৩০)।
বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, ২৬ জুলাই বাকলিয়া থেকে এক তরুণীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে জিম্মি করে বদিউলের লোকজন। পরে তাকে নগরীর চান্দগাঁও থানার ফরিদাপাড়ার একটি বাসায় রেখে অসামাজিক কাজকর্মে বাধ্য করানো হচ্ছিল।
বদিউলের আস্তানা থেকে একই ভাবে জিম্মিদশা থেকে পালিয়ে আসা এক তরুণী ঘটনাটি ওই তরুণীর ভাইকে জানিয়ে দেন। তরুণীর ভাই বাকলিয়া থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযানে নামে। বুধবার রাতে পুলিশ ফরিদা পাড়া থেকে বদিউলকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার দেওয়া তথ্যমতে বাকি ছয়জনকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই তরুণীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি আরো জানান, ওমর ফারুক, আরিফুল এবং আবু তালেব মিলে বিভিন্ন বয়সের নিরীহ নারীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বদিউলের কাছে তুলে দেন। বদিউল তার স্ত্রী ও বেবি এবং কর্মচারী আলমাসের মাধ্যমে তাদের নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া করা বাসায় রেখে অসামাজিক কাজে বাধ্য করত।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে ওসি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান।

শুভ সমরাটপ্রথম পাতা
চট্টগ্রামে এক তরুণীকে জিম্মি করে জোর করে দেহব্যবসা করানোর অভিযোগে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুই নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের জিম্মিদশা থেকে তরুণীটিকেও উদ্ধার করা হয়। বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন : নগরীর চান্দগাঁও থানার ফরিদা পাড়া এলাকার বদিউল আলম...