1438177802
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ঢাকার মাটিতে কোন যুদ্ধাপরাধীর জানাজা হতে দেয়া হবে না। ১৯৭১ সালে অনেক শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের লাশ শিয়াল-কুকুরে খেয়েছে। তাদের লাশ দাফন করতে দেয়া হয়নি। তাহলে কিভাবে যুদ্ধাপরাধীদের লাশ ঢাকায় জানাজা পরতে দেয়া হবে?

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিষ্টিটিউট মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের কর্মরত, অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান জেনারেল (অব:) হেলাল মোর্শেদ খান বীর বিক্রম, রূপালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহা সচিব (প্রশাসন) এমদাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এবি এম সুলতান আহম্মেদ প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফরিদউদ্দিন।

উল্লেখ্য, রূপালী ব্যাংকের দেশের সব শাখার ১৯৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ত্রেুষ্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট বর্ননা করে মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে এ দেশের মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে যুক্তফ্রন্টকে নির্বাচিত করেছিল। কিন্তু বেশীদিন যুক্তফ্রন্ট কে ক্ষমতায় থাকতে দেয়া হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, কোন রক্ত দেয়াই বৃথা যায়নি। ২১ শে ফেব্রুয়ারীর রক্তও বৃথা যায়নি। আজ সারা বিশ্বে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।

তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী প্রসঙ্গে বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০ হাজার টাকা দাবী করেছি। আমাদের সরকার ৮ হাজার টাকা ভাতা দিতে রাজি হয়েছে, যা আগামী জুলাই মাস থেকে কার্যকর হবে। আর আগামী ১ জানুয়ারী থেকে ১০ হাজার করে সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দেবে।

মন্ত্রী বলেন, মামলার কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট আটকে রয়েছে। মামলার পর যাচাই-বাছাই করে খুব সিগরিই মুক্তিযোদ্ধাদের সার্টিফিকেট দেয়া হবে। এর আগে ৮টি প্রযুক্তি দিয়ে তৈরী মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল আইডেনিিটটি কার্ড দেয়া হবে।

মেজর জেনারেল (অব:) হেলাল মোর্শেদ খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা কিছু পাবার আশায় যুদ্ধ করেনি। তারা একটু সম্মান চায়। যারা চাকুরী থেকে বিদায় নিচ্ছেন তারা যেন সম্মানের সাথে বিদায় নিতে পারেন।

শুভ সমরাটজাতীয়
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ঢাকার মাটিতে কোন যুদ্ধাপরাধীর জানাজা হতে দেয়া হবে না। ১৯৭১ সালে অনেক শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের লাশ শিয়াল-কুকুরে খেয়েছে। তাদের লাশ দাফন করতে দেয়া হয়নি। তাহলে কিভাবে যুদ্ধাপরাধীদের লাশ ঢাকায় জানাজা পরতে দেয়া হবে? ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিষ্টিটিউট মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে রূপালী ব্যাংক...