image_264707.imran-h-sharkar_e
বিচারপ্রক্রিয়ায় ধীরগতিতে হতাশা প্রকাশ করে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, যে গতিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ শেষ হচ্ছে তাতে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে ১০০ বছর লেগে যাবে। অথচ এখন ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা কমিয়ে আনা হচ্ছে। এটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ও জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায় অবিলম্বে কার্যকরের দাবিতে শুক্রবার শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে ইমরান এইচ সরকার এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইমরান এইচ সরকার বলেন, মুজাহিদের চূড়ান্ত রায়ের দেড় মাস এবং সালাউদ্দিন কাদেরের রায়ের এক মাসের বেশি সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত হয়নি। ফলে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও রায় কার্যকরের প্রক্রিয়াটি ঝুলে আছে।
সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী শাহরিয়ার মজুমদারের মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে অভিহিত করেন ইমরান। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হয়েছে। অপরদিকে যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে আন্দোলনে এ পর্যন্ত মঞ্চের ২৪ জনের মতো কর্মী মারা গেছেন।
সমাবেশে বক্তব্য দেন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী সাঈদা সুলতানা, জীবনানন্দ জয়ন্ত, ভাস্কর রাসা প্রমুখ। এরপর যুদ্ধাপরাধীদের রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের মিছিল শাহবাগ থেকে টিএসসি ঘুরে আবার শাহবাগে ফিরে আসে।

অর্ণব ভট্টপ্রথম পাতা
বিচারপ্রক্রিয়ায় ধীরগতিতে হতাশা প্রকাশ করে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, যে গতিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ শেষ হচ্ছে তাতে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে ১০০ বছর লেগে যাবে। অথচ এখন ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা কমিয়ে আনা হচ্ছে। এটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ও জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ...