hajj_102740.png_103367
তিন লাখ টাকা মোয়াল্লেমের হাতে তুলে দিয়েও মক্কায় হজযাত্রীদের ঠাঁই হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে। এমন অভিযোগের কথা জানান মিরপুরের বাসিন্দা মো. শহিদ খান। গাজীপুরের বাসিন্দা আবু তালেব অভিযোগ করেন, সোয়া তিন লাখ টাকা মোয়াল্লেমের হাতে তুলে দিলেও খেতে দেওয়া হচ্ছে অপেক্ষাকৃত নিুমান ও বাসি খাবার। এ ধরনের প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি হাজীর দিন কাটছে নানান দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনায়। এবারই প্রথমবারের মতো হজের আগে ও পরে দুই জায়গায় (মক্কা ও মদিনায়) হজ যাত্রীদের সুবিধার্থে একই বাড়িতে রাখার নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত একডজন হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক অভিযোগ জমা হয়েছে হজ মিশনে। সরেজমিন মক্কা ও জেদ্দার বাংলাদেশ হজ মিশন ঘুরে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

পবিত্র কাবা শরিফের পার্শ্ববর্তী মিস্‌ফালাহ, আজিজিয়া ও গাজ্জা এলাকা ঘুরে আরও দেখা গেছে, মক্কার এ তিন এলাকায় বিগত আড়াই বছরে প্রায় ১৫ হাজার ছোট ছোট ভবন (বাড়ি) ভেঙে ফেলা হয়েছে। ফলে কয়েক লাখ হজযাত্রীর জন্য বাড়ি পাওয়া একটু কঠিন হয়। অনেক হজ এজেন্সির কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফির কম নেওয়ায় কম দামের ও দূরের বাড়িতে রাখায় বিড়ম্বনা বেড়েছে। এ ছাড়া পুরনো দালানকোঠা ভেঙে নতুন নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেছে সৌদি সরকার। এসব কারণে বাংলাদেশের হজ এজেন্টদের জন্য হজযাত্রীদের বাড়ি ভাড়া করা বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। নিয়ম অনুযায়ী পবিত্র কাবা শরিফের ৫০০ মিটারের আশপাশে কোনো বাড়ি এখন খালি নেই। হাতেগোনা যে কয়েকটি খালি ছিল সেসব বাড়ি মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ভারত ও পাকিস্তানের হজ এজেন্টরা ভাড়া নিয়ে ফেলেছেন। সৌদি আরবে অবস্থানকারী বিভিন্ন হজ এজেন্সি মালিক ও হজ এজেন্সিজ নেতারা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেছেন, মক্কা ও মদিনা এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১৫ হাজার বাড়ি ও হোটেল ভেঙে ফেলায় সামান্য অসুবিধা হয়েছে। এবার বাংলাদেশি হজ পালনকারীরা বাড়ি না পেয়ে অশেষ দুর্ভোগে পড়েন বলে হাব নেতারা স্বীকার করেন।

গত বছর পর্যন্ত সৌদি আরবে ফেতরা প্রথা চালু ছিল। কিন্তু এবার ওই প্রথা বাতিল করা হয়। হজনীতি অনুযায়ী মদিনা থেকে ফিরে আসার পর মক্কায় একই বাড়িতে তাদের রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এসব নিয়ে হজ এজেন্সিগুলো বিপাকে পড়েছে।জানতে চাইলে মক্কায় অবস্থানকারী হজ এজেন্সির মালিক শেখ রহিম উদ্দিন জানান, পাকিস্তান এবং ভারত সরকার এরই মধ্যে তাদের হজনীতিতে ফেতরা প্রথা অনুমোদন করেছে। ফলে তারা ইচ্ছামতো পছন্দসই বাড়ি ভাড়া করতে পারছে। বাংলাদেশের হজনীতিতে ফেতরা প্রথা বহাল না থাকার কারণে তারা ইচ্ছামতো বাড়ি ভাড়া করতে পারছে না। অন্য দেশ বাড়ি ভাড়া করে ফেলার কারণে বাংলাদেশের হজ এজেন্সি ও সরকারের ভালো মানের বাড়ি পেতে খরচ বেশি পড়ছে। এমন বাড়তি খরচ পুষিয়ে নিতে কেউ কেউ খাবারের মান খারাপ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে বাংলাদেশের হজযাত্রীরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

কংকা চৌধুরীপ্রথম পাতা
তিন লাখ টাকা মোয়াল্লেমের হাতে তুলে দিয়েও মক্কায় হজযাত্রীদের ঠাঁই হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে। এমন অভিযোগের কথা জানান মিরপুরের বাসিন্দা মো. শহিদ খান। গাজীপুরের বাসিন্দা আবু তালেব অভিযোগ করেন, সোয়া তিন লাখ টাকা মোয়াল্লেমের হাতে তুলে দিলেও খেতে দেওয়া হচ্ছে অপেক্ষাকৃত নিুমান ও বাসি খাবার। এ ধরনের প্রায় পাঁচ হাজার...