1441106842
জার্মান তরুণী লিওনি মুলার দিনের পর দিন ট্রেনে বসবাস করছেন। ট্রেনের কামরা হচ্ছে তার রুম। ট্রেনের টয়লেটে স্নান সেরে নেন, সিটে বসেই ঘুম, খাওয়া-দাওয়া এমনকি লেখাপড়াটাও চালিয়ে যান এখানে।

ট্রেনে বাস করা প্রসঙ্গে লিওনি জানান, একবার ঘর ভাড়া নিয়ে বাড়ির মালিকের সঙ্গে ঝামেলা বাধে। সে সময় বের হয়ে যেতে বলেন ঘর মালিক। হঠাৎ করে পাওয়া এমন নোটিশে বেশ বিপদে পরে যান লিওনি। তখন তার হাতে টাকা ছিল না। কিন্তু পড়াশুনা চালিয়ে যেতে হবে। এমনই অবস্থায় তিনি ঘর হিসেবে বেছে নেন ট্রেনের কামরাকে। একটা ছোট্ট ব্যাগে কিছু জামা কাপড়, ট্যাবলয়েট ও চার্জার নিয়ে ট্রেনে থাকা শুরু করেন। যে ট্রেনে তিনি থাকেন তার ভাড়া জার্মানির বড় বড় শহরে মাঝারি মাপের এসি ঘরের থেকে অনেকটাই কম। এই ট্রেনে থেকেই তিনি পিএইচডি পড়াশোনা করছেন।

লিওনিকে প্রশ্ন করা হয়, এইভাবে থাকতে অসুবিধা হয় না? উত্তরে তিনি বলেন, ‘অসুবিধা কিসের! আমার তো মনে হয় চলন্ত ট্রেন বাস করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী জায়গা। ট্রেনের জানালা দিয়ে সুন্দর প্রকৃতি দেখা যায়, প্রতিদিন নতুন নতুন লোকের সঙ্গে পরিচয় হওয়া যায়। অজানা কোনও মানুষ হঠাৎ করে নিজের হয়ে যায়। ট্রেনে বসবাস করলে এসবই উপরি মুনাফা।’

স্টেশন এলে মাঝেমাঝে বাড়ির লোকেদের সঙ্গে, বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে দেখা করে ফের ট্রেনে উঠে পড়েন। উঠতে তো হবেই, চলাই যে সবচেয়ে বড় সত্যি লিওনির জীবনে!

কংকা চৌধুরীলাইফ স্টাইল
জার্মান তরুণী লিওনি মুলার দিনের পর দিন ট্রেনে বসবাস করছেন। ট্রেনের কামরা হচ্ছে তার রুম। ট্রেনের টয়লেটে স্নান সেরে নেন, সিটে বসেই ঘুম, খাওয়া-দাওয়া এমনকি লেখাপড়াটাও চালিয়ে যান এখানে। ট্রেনে বাস করা প্রসঙ্গে লিওনি জানান, একবার ঘর ভাড়া নিয়ে বাড়ির মালিকের সঙ্গে ঝামেলা বাধে। সে সময় বের হয়ে যেতে বলেন...