1442859796
দেশে জিরা প্রায় ২৩ হাজার টন ও এলাচের বাত্সরিক চাহিদা প্রায় ৭ হাজার টন। এর মধ্যে চার ভাগের এক ভাগ জিরা ও এলাচ বৈধপথে আমদানি হয়। বাকী তিনভাগ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে চোরাচালান হয়ে আসে। অন্য মসলার ক্ষেত্রেও এই হারে খুব বেশি পার্থক্য নেই। ফলে দেশের মসলার বাজার কার্যত চোরাচালানীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

ব্যবসায়ীরা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, দেশে মসলার মোট চাহিদার ৭০-৮০ ভাগ সরবরাহ হয় দেশে ভোগ্যপণ্যের সর্ববৃহত্ পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে। কোরবানির ঈদ ঘিরে খাতুনগঞ্জে বছরের অন্য সময়ের তুলনায় চোরাই পথে আসা মসলার সরবরাহ বৃদ্ধি পায়। এ কারণে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে লোকসানের মুখে পড়ছেন এখানকার মসলা ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা। খাতুনগঞ্জ ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগীর আহমদ ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, চোরাচালানের মসলার কারণে পাইকারি মসলার প্রকৃত ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন। কয়েক বছর ধরে মসলার শুল্ক হার পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে সমন্বয় করতে বলা হচ্ছে। চোরাচালানীদের প্রতিরোধে সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সরকারকে তাগিদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এর বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রকৃত ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। লাভবান হচ্ছেন চোরাচালানীরা। খাতুনগঞ্জের মসলা ব্যবসায়ী মুজাম্মেল হক ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, গত কয়েক মাস বিক্রি না থাকায় কেনা দামের চেয়ে কম দামে মসলা বিক্রি করেছেন আমদানিকারক-ব্যবসায়ীরা। অত্যাবশ্যকীয় মসলা অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের ফলে বছরে হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। প্রতিকারে মসলা আমদানিতে শুল্ক হার পাশের দেশের সমান এবং চোরাই পথে মসলা আনা বন্ধ করতে একাধিকবার দাবি জানালেও কোনো সহযোগিতা মিলছে না বলে জানিয়েছেন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা।

গতকাল সোমবার খাতুনগঞ্জের মসলার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অত্যাবশ্যকীয় মসলা জিরা, এলাচ, হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, আদা, রসুনসহ সব ধরনের মসলার পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও দাম ঊর্ধ্বমুখী। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এসব মসলা কেজিপ্রতি ১০ টাকা থেকে ১শ টাকার উপরে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

ওয়াজ কুরুনীচোরাচালানের খবর
দেশে জিরা প্রায় ২৩ হাজার টন ও এলাচের বাত্সরিক চাহিদা প্রায় ৭ হাজার টন। এর মধ্যে চার ভাগের এক ভাগ জিরা ও এলাচ বৈধপথে আমদানি হয়। বাকী তিনভাগ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে চোরাচালান হয়ে আসে। অন্য মসলার ক্ষেত্রেও এই হারে খুব বেশি পার্থক্য নেই। ফলে দেশের মসলার বাজার...