1433690259_94192
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতকের সন্ধানে নেমেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র‌্যাব)।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সংস্থাটি তল্লাশি শুরু করে। অন্যদিকে, নবজাতক চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চমেক হাসপাতাল।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের শমসের পাড়ার শফিউল আলম ও জেসমিন আক্তারের ১৪ দিন বয়সী এই নবজাতক হাসপাতালের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৫ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখান থেকে গত বুধবার শিশুটি চুরি হয়।

চমেক হাসপাতালের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধান ডা. রওশন মোরশেদ বলেন, তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। দু’য়েকদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার শিশুটি চুরি হওয়ার পর রাত পর্যন্ত পুলিশের দুইটি দল ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। কিন্তু আজ সকাল পর্যন্ত শিশুটির সন্ধান না মেলায় র‌্যাবের একটি দল হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। তারা ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের আয়া ও নার্সদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। একই সঙ্গে ওয়ার্ডের সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজও পরীক্ষা করে দেখছেন।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার শহিদুল গণি বলেন, নিখোঁজ শিশুটি উদ্ধারে জোর চেষ্টায় পুলিশ ও র‌্যাব সন্ধানে নেমেছে। তাছাড়া জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঘটনার আগ থেকে অপরিচিত এক নারী ওই ইউনিটে ঘোরাফেরা করছিল বলে একজনের কাছে জানতে পেরেছি। শিশুটিকে চুরি করে আরেক ওয়ার্ডে নিয়েছিল বলে তথ্য আছে। আমরা সে ওয়ার্ডের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখছি।

ওয়াজ কুরুনীঅন্যান্য
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতকের সন্ধানে নেমেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র‌্যাব)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সংস্থাটি তল্লাশি শুরু করে। অন্যদিকে, নবজাতক চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চমেক হাসপাতাল। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের শমসের পাড়ার শফিউল আলম ও জেসমিন আক্তারের ১৪...