Oporadher Dairy Theke

চট্টগ্রামে বিগত এক মাসে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২২০৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযানে গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র।চট্টগ্রাম জেলা জুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গা ঢাকা দিয়েছে চিহ্নিত অপরাধীরা। এতে করে এলাকায় কমে গেছে অপরাধ প্রবণতা। চুরি, ডাকাতি, মানবপাচার, মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত অপরাধীরা গ্রেফতার হওয়ায় বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, নাশকতার সাথে জড়িত জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী, সন্ত্রাসী, চুরি ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বন্ধে বিগত তিন মাস যাবত জেলা জুড়ে চলছে বিশেষ অভিযান। এই অভিযানে অসংখ্য আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এদিকে বিগত এক মাসে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ২২০৫ জন আসামিকে। এদের মধ্যে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির ৮৪ নেতাকর্মী রয়েছে যারা বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এছাড়া বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ২১২১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১২১৮ লিটার চোলাই মদ, ৬৬৩৮পিস ইয়াবা, ৩০৫ কেজি গাজা এবং ২১বোতল ফেনসিডিল। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১২টি কার্তুজ এবং ৮টি ককটেল রয়েছে।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাঈমুল হাসান বিশেষ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জেলায় অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে চিহ্নিত অপরাধীরা গ্রেফতার হওয়ায় অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে কমে গেছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

হীরা পান্নাঅপরাধের ডায়েরী থেকে
চট্টগ্রামে বিগত এক মাসে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২২০৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযানে গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র।চট্টগ্রাম জেলা জুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গা ঢাকা দিয়েছে চিহ্নিত অপরাধীরা। এতে করে এলাকায় কমে গেছে অপরাধ প্রবণতা। চুরি, ডাকাতি, মানবপাচার, মাদক ব্যবসার সাথে...