759172e06686fdab0fde062030c83ed7-1
চট্টগ্রাম নগরে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িগুলোতে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। গত শনিবার রাতে টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ও দেয়ালধসে পাঁচ শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যুর পর আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে অভিযান শুরু হয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছেন ভূমি কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আফজাল হোসেন। তাঁর ভাষ্য, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁদের একটি স্কুলে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এই দুর্ঘটনার পর গতকাল রোববার রাতে নগরের মুরাদপুরের ফরেস্ট গেট এলাকা দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন সাইফুল ইসলাম ও জয়নাল আবেদিন। পৈতৃক সম্পত্তির সূত্রে তাঁরা ধসে যাওয়া বাড়িগুলোর মালিক। বাড়ির মালিক চার ভাইকে এই মামলার আসামি করা হয়েছে। বাড়ির মালিক ও মামলার প্রধান আসামি মঈনুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। আরেক আসামিও পলাতক।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসের ভাষ্য, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় তৈরি বাড়িগুলোর পৈতৃকসূত্রে মালিক ওই চার ভাই। অবহেলাজনিত মৃত্যুর ঘটনায় মামলাটি করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার গভীর রাতে বৃষ্টির সময় নগরের বায়েজিদ বোস্তামীর আমিন কলোনি ও লালখান বাজার পোড়া কলোনিতে টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ও দেয়াল ধসে পাঁচ শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়।

হীরা পান্নাপ্রথম পাতা
চট্টগ্রাম নগরে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িগুলোতে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। গত শনিবার রাতে টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ও দেয়ালধসে পাঁচ শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যুর পর আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছেন ভূমি কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আফজাল হোসেন। তাঁর ভাষ্য, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে দেওয়া...