1442834968
বিপুল পরিমাণ ভারতীয় রুপিসহ পাঁচ জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। সোমবার বিকালে বন্দরের ৪ নম্বর জেটি ঘাটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরে মহাপরিচালক মঈনুল খান।

আটককৃতরা হলেন- কন্টেইনার আমদানিতে নিয়োজিত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ফ্ল্যাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের পার্টনার শামীমুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, দুই কর্মী মো. আহম্মদ উল্লাহ ও মো. কাউসার আলম এবং কন্টেইনারের প্রেরক দুবাই প্রবাসী শাহীদুজ্জামানের ভাই মো. তৌহিদুল আলম।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরে মহাপরিচালক মঈনুল খান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘শামীমকে হালিশহর থেকে এবং বাকিদের নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়।’

তিনি জানান, রবিবার রাতে বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে ২০ ফুট দীর্ঘ একটি কন্টেইনার খুলে চারটি কার্টনের ভেতরে ভারতীয় মুদ্রা পান কাস্টমস ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের কর্মকর্তারা। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর স্থায়ী বসিন্দা ও দুবাইপ্রবাসী মো. শাহীদুজ্জামানের নামে পাঠানো কন্টেইনারটি বন্দরে এনেছে হালিশহর এলাকার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ফ্ল্যাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।

মঈনুল খান বলেন, ‘কন্টেইনারে আরো কি কি জিনিস আছে তা জানতে এখনো তল্লাশি চলছে। এর মধ্যেই কিছু স্বর্ণালঙ্কারও পাওয়া গেছে।’ তিনি জানান, প্রায় দেড় ইঞ্চি পুরো ফ্রেমের ১৬টি বাক্স তৈরি করে তার মধ্যে থরে থরে ভারতীয় রুপিগুলো সাজিয়ে চারটি কার্টনে রাখা ছিল। ওই কন্টেনারের সঙ্গে আসা আরো তিনটি কন্টেইনার পরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে।

ওয়াজ কুরুনীচোরাচালানের খবর
বিপুল পরিমাণ ভারতীয় রুপিসহ পাঁচ জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। সোমবার বিকালে বন্দরের ৪ নম্বর জেটি ঘাটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরে মহাপরিচালক মঈনুল খান। আটককৃতরা হলেন- কন্টেইনার আমদানিতে নিয়োজিত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ফ্ল্যাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের পার্টনার শামীমুর...