Untitled-171-290x160
দেশে কার্যরত ব্যাংক থেকে সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে সমাধান না পেয়ে দ্বারস্থ হন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে (বাংলাদেশ ব্যাংক)। বিগত অর্থ বছরে গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া সবগুলো অভিযোগই নিষ্পত্তি করেছে এই কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৯শ’ ৩১টি অভিযোগ এসেছে। আগের অর্থবছরে অভিযোগ এসেছিল ৪ হাজার ৪৭৬টি। হিসাব অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে অভিযোগ ৫৪৫টি বা ১২ দশমিক ২০ শতাংশ কমেছে।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে ৩ হাজার ৯৩০টি অভিযোগ। নিষ্পত্তির এই হার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৪ হাজার ২৯১টি বা ৯৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রাহকদের অভিযোগের শীর্ষ থাকা সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে ২৫৬টি। ব্র্যাক ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৭৫টি, রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৪৯টি, অগ্রণী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৪০টি, ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১২৩টি, জনতা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১০৬টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৮২টি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৭৯টি অভিযোগ এসেছে।

এর মধ্যে ই-মেইল, ফ্যাক্স, ওয়েবসাইট ও ডাকযোগে ১৭৭টি এবং টেলিফোনে ২৬৬টি মোট ৪৪৩টি অভিযোগ পাওয়া যায়। যার মধ্যে ৪৪২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়। অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ৯৯.৭৭ শতাংশ। অন্য অভিযোগগুলো বিভিন্নভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে।

প্রাপ্ত অভিযোগগুলোর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিং সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা ছিল ১৫৬টি, ঋণ ও অগ্রিম সংক্রান্ত ৮২টি, আমদানি বিল পরিশোধ না করা সংক্রান্ত ৫৩টি (অভ্যন্তরীণ ৩০টি ও বৈদেশিক ২৩টি), কার্ড সংক্রান্ত ৩৪টি, মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত ২৭টি, রেমিটেন্স সংক্রান্ত ২৩টি ও ব্যাংক গ্যারান্টি সংক্রান্ত ১০টি।

অন্যান্য অভিযোগ ছিল ৫৮টি। সর্বোচ্চ অভিযোগ ছিল সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। এ দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক এবং তৃতীয় অবস্থানে ডাচ-বাংলা ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, কোনো ব্যাংক গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে না পারলে পুনরায় বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করতে পারবেন বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। আর এসব কারণেই বিদায়ী অর্থবছরে অভিযোগের পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১১ সালের ১ এপ্রিল গঠন করে গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ কেন্দ্র। পরে এর পরিধি বাড়তে থাকায় আরও বৃহৎ পরিসরে একে ঢেলে সাজিয়ে গঠন করা হয় ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস বিভাগ (এফআইসিএসডি)।

তাহসিনা সুলতানাজাতীয়
দেশে কার্যরত ব্যাংক থেকে সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে সমাধান না পেয়ে দ্বারস্থ হন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে (বাংলাদেশ ব্যাংক)। বিগত অর্থ বছরে গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া সবগুলো অভিযোগই নিষ্পত্তি করেছে এই কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছ...