polcey_111981
রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এইচ বি এম ইকবালের কিশোর ভাতিজা বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে ৪ জনকে আহত করলেও এই ঘটনায় এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। এমনকি ওই ঘটনায় কোনো মামলাও হয়নি বলে জানা গেছে। গত সোমবার দুর্ঘটনার পর পুলিশ ওই কিশোরকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়।

ওই কিশোরের নাম ফারিজ রহমান। বাবা এইচ বি এম জাহিদুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। তার ভাই ইকবাল ১৯৯৬ সালে ঢাকার রমনা-তেজগাঁও আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন।

ঘটনার পর সাবেক সংসদ সদস্যের ভাতিজার সাফাই গেয়ে গুলশান থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, “ওই ছেলে গাড়ি চালানোর সময় হঠাৎ করেই একজন পথচারী সামনে পড়ে। তাকে বাঁচাতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা তারাই করেছে। গাড়িটি আটক রাখা হয়েছে, আর ওই ছেলেকে তার বাবার হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।”

ওই ঘটনার আপডেট জানতে চাইলে আজ বুধবার ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, “ভিক্টিম বা আহতরা যদি অভিযোগ করেন তাহলে মামলা করবো। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এ রকম কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য চালকের বিরুদ্ধে একটি প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে।”

ইকবালের ১৬ বছর বয়সী ভাতিজার গাড়ির ধাক্কায় আহতদের মধ্যে রফিক (২৭) নামের একজনকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই সোমবার বিকালে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন ওই কিশোর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানায়, “ওই ছেলে মদ্যপ অবস্থায় ছিল। গুলশানের ৭৪ নম্বর সড়ক দিয়ে বেপরোয়া চালানোর সময় দুটি রিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে দুই রিকশাচালকসহ চারজন আহত হয়।”

এমনকি না প্রকাশ করা শর্তে এক এসআই ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, “চলন্ত অবস্থায় মোবাইলে ছবি তুলে ফেইসবুকে দেওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে ওই ছেলে আমাদের বলেছে।”

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/polcey_111981.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/polcey_111981-300x300.jpgঅর্ণব ভট্টপ্রথম পাতা
রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এইচ বি এম ইকবালের কিশোর ভাতিজা বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে ৪ জনকে আহত করলেও এই ঘটনায় এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। এমনকি ওই ঘটনায় কোনো মামলাও হয়নি বলে জানা গেছে। গত সোমবার দুর্ঘটনার পর পুলিশ ওই কিশোরকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়। ওই কিশোরের...