1442121916
ভ্যাপসা গরম, কটকটে রোদ অথবা প্রচণ্ড তাপ। যেভাবেই বোঝানো হোক না কেন, অনুভূতি কিন্তু একটাই—গরম। প্রকৃতি মাঝেমধ্যে বৃষ্টির ছোঁয়া দিচ্ছে। তারপরও কাটেনি গরমের প্রভাব। তীব্র গরমে সবার প্রাণ যায় যায় অবস্থা। বাড়িতে বসে থেকেও গরমের হাত থেকে রেহাই নেই। আর বাইরে বেরুলে তো কথাই নেই। প্রচণ্ড গরম থেকে স্বস্তি পেতে সহজ কিছু পরামর্শ-

১. দুঃসহ গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায় প্রচুর পানি। সেই পানি পূরণ করার জন্য আপনাকে অনেক বেশি পানি পান করতে হবে। শরীরে পানির অভাব হলে মাংসপেশি ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। শরীরের কোষগুলো সজীব রাখতে প্রতিদিন অন্তত দেড়-দুই লিটার পানি পান করতে হবে। পানি ছাড়াও স্যুপ, ফলের রস, লাচ্ছি, শরবত বিশেষ করে লেবুর শরবত, মওসুমি বিভিন্ন ফলের রস করে খেলে শরীর সতেজ থাকবে।
২. শাওয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে থাকুন। সুযোগ পেলেই গোসল করুন। সকালে বের হওয়ার আগে গোসল করুন। বাসায় ফিরে আসলে আবার একটু গোসল করে নিন। এতে দেহের তীব্র গরম কমে যাবে এবং ফ্রেস লাগবে।
৩. গরমে তেল, চর্বি ও মসলা অধিক পরিমাণে আছে- এমন খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সবজি রাখুন। ছোট মাছ ও হালকা মসলার ঝোল দেয়া তরকারি এ সময় স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। বেশি পরিমাণে সালাদ খান। ফলের সালাদও বেশ স্বাস্থ্যসম্মত, সেটিও খেতে পারেন। তেলে ভাজা খাবার ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন।
৪. এই গরমে বেশি ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ব্যায়ামে ও বেড়ে যায় শরীরের তাপমাত্রা। তবে শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখতে সীমিত ব্যায়াম করুন।

1442121916_0
৫. উজ্জ্বল ও হালকা রঙের কাপড় সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে দেয়। এতে দেহে তাপ কম লাগে। গাঢ় রঙ বেশি তাপ শুষে নেয়। তা ছাড়া হালকা রঙ গরমের জন্য ফ্যাশনেবল।
৬. গরমকালটাকে ছোট চুলের ফ্যাশন হিসেবে নিন। এতে নানা ফ্যাশনেবল কাট দেয়া যাবে এবং এতে গরম কম লাগবে। তা ছাড়া ছোট চুলে চেহারাও অনেক কিউট লাগে।
1442121916_1
৭. গরমের দিনে বাসায় থাকা অবস্থায় ঘরে সূর্যের আলো প্রবেশ না করেতে দেয়াই ভালো। এতে বাসা ওভেনের মতো গরম হয়ে থাকবে। তবে বাতাস প্রবেশের জন্য জানালা খোলা রাখুন, পর্দা দিয়ে দিন তাপ ঠেকাতে। এতে গরম অনেক কমে যাবে।
৮. রান্নার সময় ঘরে তাপ ছড়িয়ে যায়। কিন্তু রান্না তো করতেই হবে। তাই রান্নার কাজ শেষ করেই চুলো বন্ধ করে দিবেন। সম্ভব হলে রান্না ঘরে একটি একজস্ট ফ্যান লাগিয়ে নিয়ে তা ছেড়ে দিন। ভিতরের গরম তাপ বের হয়ে যাবে।

এছাড়া তাজা ফুল রাখতে পারেন ঘরের ভেতর। তবে এমন আবহাওয়ায় ঘরের ভেতর ইনডোর প্লান্ট রাখার জুড়ি নেই। তাই গরমে স্বস্তি আনতে ঘরের অভ্যন্তরে গাছ রাখুন পর্যাপ্ত পরিমাণে। রান্না করার সময় ও পরে রান্নাঘরের সমন্বয়ক পাখাটি ছাড়তে ভুলবেন না। এতে করে গরম বাতাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে না। ফলে ঘরের তাপমাত্রা থাকবে সহনীয় ও স্বস্তিদায়ক।

শুভ সমরাটস্বাস্থ্য কথা
ভ্যাপসা গরম, কটকটে রোদ অথবা প্রচণ্ড তাপ। যেভাবেই বোঝানো হোক না কেন, অনুভূতি কিন্তু একটাই—গরম। প্রকৃতি মাঝেমধ্যে বৃষ্টির ছোঁয়া দিচ্ছে। তারপরও কাটেনি গরমের প্রভাব। তীব্র গরমে সবার প্রাণ যায় যায় অবস্থা। বাড়িতে বসে থেকেও গরমের হাত থেকে রেহাই নেই। আর বাইরে বেরুলে তো কথাই নেই। প্রচণ্ড গরম থেকে স্বস্তি...