91350_thumb_f4
রাজধানীতে গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য চলছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের কাছে অনেকটাই জিম্মি যাত্রীরা। গ্যাসের বর্ধিত মূল্য কার্যকরের পর রাজধানীতে হঠাৎ কিছু গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে শুরু থেকেই। এ নিয়ে প্রতিদিনই নগর পরিবহনে যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহন কর্মীদের বচসা চলছে। কোথাও কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটছে। এর আগে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে রাজধানীর গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ করে দেয়ার পর কৌশলে অনেক রুটের পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায় শুরু হয়। সম্প্রতি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি কার্যকর হওয়ার নতুন করে আবারও ভাড়া বাড়ানো হয়েছে বিভিন্ন রুটে। এখনও ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কোন সিদ্ধান্ত না এলেও অঘোষিতভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। গতকাল সরজমিন রাজধানীর বিভিন্ন রুটে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি মনে করে, বর্তমান নির্ধারণ করা গণপরিবহনের ভাড়াই বেশি। রাজধানীতে সর্বনিম্ন যাত্রী সেবায় যে ভাড়া নির্ধারণ করা আছে তা অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। বরং ভাড়া কমানো উচিত।
মাকসুদ নামের এক যাত্রী প্রেস ক্লাব থেকে শিকড় পরিবহনে ওঠেন। নামবেন শাহবাগ মোড়ে। কিন্তু শিকড় পরিবহন তার কাছ থেকে ২০ টাকা ভাড়া নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ নিয়ে যাত্রীর সঙ্গে বাস কর্মীর বচসা প্রায় হাতাহাতি পর্যায়ে গিয়েছিল। কিন্তু ভাড়া এক টাকাও কমেনি। বাসকর্মী জানিয়েছেন, মিরপুরের ভাড়া দিতে হবে। ‘কথিত’ সিটিং সার্ভিস বলে পরিবহন শ্রমিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে এভাবেই ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে। আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ১৩ নম্বর বাসে ওঠেন ফারাজানা। যাবেন ধানমন্ডি সিটি কলেজে। তার কাছে থেকে ১০ টাকা ভাড়া দাবি করেন কন্ডাক্টর। ৫ টাকা নেয়ার কথা থাকলেও এটা নিয়ে গাড়ির মধ্যে হৈচৈ পড়ে। পরে যাত্রীদের চাপে ৫ টাকা ভাড়া নিতে বাধ্য হন কন্ডাক্টর। তিনি জানান, কন্ডাক্টররা গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে ভাড়া বাড়ানোর কথা শোনান গাড়িতে। ধানমন্ডির শুক্রাবাদ এলাকায় গাড়ির জন্য অপেক্ষমাণ বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী জানান, নিউমার্কেট থেকে মিরপুর রোডে এমনিতেই ভাড়া বেশি। রাজধানীর অন্য যে কোন রুটের চেয়ে এই রুটে অনেক বেশি ভাড়া নেয়া হয়। এদের এই নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কথা বলার কেউ নেই। ইচ্ছামতো যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করে।
নিউমার্কেট থেকে মিরপুর যেতে স্টার লিংক পরিবহন ভাড়া আদায় করে ২৫ টাকা। সেফসি সিটিং সার্ভিস পরিবহন ২০ টাকা। নিউ ঢাকা লিংক পরিবহন ২০ থেকে ২৫ টাকা। মিরপুর মেট্রো সার্ভিস ২০ টাকা। এই গাড়িগুলো যার যার ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করে। সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা। তবে ধানমন্ডি পার হলেই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় ভাড়া। শ্যামলী পর্যন্ত অনেক গাড়িতেই ১৫ টাকা বা তারও বেশি ভাড়া আদায় করা হয়। আবার অনেক গাড়িতে মিরপুর না গেলে যাত্রী তোলা হয় না। গেটলক বলে চালানো হয়। এই রুটে চলাচলকারী ৭ নম্বর লোকাল বাস ধানমন্ডি থেকে টেকনিক্যাল মোড় বা গাবতলী পর্যন্ত ভাড়া নেয় মাত্র ১০ টাকা। নিউমার্কেট থেকে গাবতলী হয়ে সাভার যাতায়াত করে কয়েকটি গাড়ি। এর মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ সেবা, শুভযাত্রা, ধামরাই পরিবহন। এই বাসগুলোও যার কাছ থেকে যা পারে হিসেবে ভাড়া আদায় করে। হঠাৎ কোন নোটিশ ছাড়াই ভাড়া বাড়িয়ে দেয়ার কারণে অনেক যাত্রী বাড়তি ভাড়া দিতে চায় না। এতে বাসের হেলপার সুপারভাইজারের সঙ্গে অনেক সময় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অনেকে আবার লোকলজ্জার ভয়ে বাড়তি ভাড়া দেন।
উত্তরা থেকে ধানমন্ডি এসেছিলেন হারেস। ফেরার পথে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রাস্তায় কথা হয়। তিনি বলেন, আগে উত্তরা থেকে ধানমন্ডি আসতে ভাড়া লাগতো ১৫ টাকা। কয়েকদিন ধরে ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছে। তেল-গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে গাড়িরও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। ওদের সঙ্গে বাড়াবাড়ি করে কোন লাভ হয় না। তাই ঝগড়া না করে বেশি ভাড়া দিয়েই যাতায়াত করি। উইনার ৩/সি পরিবহন নিউমার্কেট থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত ভাড়া আদায় করে ২০ থেকে ২৫ টাকা। যার কাছ থেকে যা পারে সেটাই তারা আদায় করে। এক্ষেত্রে নিউমার্কেট থেকে কাওরানবাজার পর্যন্ত ১০ টাকা ভাড়া আদায় করে তারা। মহাখালী পর্যন্ত ২০ টাকা। এই রাস্তায় যাত্রীদের সঙ্গে বাসের হেলপার সুপারভাইজারদের প্রায়ই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। হঠাৎ করে ভাড়া বাড়ানোতে যা আরও বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ফার্মগেট থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের ভাড়া ১৩ টাকা। কিন্তু এই রুটে চলাচলকারী বেশ কিছু গণপরিবহনেই যাত্রীদের কাছ থেকে ১৫ টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিরপুর থেকে সদরঘাট রুটে ইউনাইটেড পরিবহনের সুপারভাইজার মিজান জানান, ফার্মগেট থেকে ১০ নম্বর রুটে দুদিন ধরেই তারা ১৫ টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন। ভাড়া বেশি আদায় করছেন কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বেড়েছে। মালিকের নির্দেশ তাই ভাড়া বেড়েছে। ফার্মগেট থেকে মিরপুর কাজীপাড়া নিয়মিত যাতায়াত করেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তুষার নন্দী। তিনি বলেন, প্রতিদিন ১০ টাকা ভাড়ায় আমি আমার গন্তব্যে যাই। কিন্তু কোন ঘোষণা ছাড়াই হুট করে এই রুটের ভাড়া ১৫ টাকা হয়ে গেছে। মনে হয় যেন মগের মুল্লুক। গুলশান এক নম্বর থেকে ৬ নম্বর বাসে ফার্মগেট আসতে ভাড়া আদায় করা হতো ৬ টাকা। কিন্তু এই রুটে চলাচলকারী বেশ কিছু বাসে এই ভাড়া হয়ে গেছে এখন ৮ টাকা। একটি বেরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরি করেন আবুল বাশার। তিনি বলেন, কথা নেই বার্তা নেই হুট করেই ভাড়া বেড়ে গেছে। এভাবে জনগণের পকেট কেটে বেশি ভাড়া আদায়ের অধিকার তাদের কে দিয়েছে? তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেন ৬ নম্বর বাসের কয়েকজন সুপারভাইজার। শাহ আলম নামের একজন সুপারভাইজার বলেন, শুনেছি অনেকেই বেশি ভাড়া আদায় করছে। তবে আমরা আগের ভাড়াই নিচ্ছি। সরকার ও মালিকপক্ষ যদি ঘোষণা দেয় তাহলে ভাড়া বাড়ানো হবে। উত্তরা থেকে ফার্মগেট আসতে ৩ নম্বর বাসে ভাড়া নেয়া হত ১৫ টাকা। গতকাল দেখা গেছে, কোন কোন বাসে এই ভাড়া একলাফে হয়ে গেছে ২০ টাকা। বাড়তি ভাড়ার কারণ জানতে চাইলে এ রুটের গণপরিবহনের অনেক চালক ও সুপারভাইজার এ বিষয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। তবে, তারা ইঙ্গিত দেন গ্যাসের মূল্য বেড়েছে। তাই ভাড়াও কিছুটা বেড়েছে। ৩ নম্বর পরিবহনের সুপারভাইজার হাবিব বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, উত্তরা থেকে ফার্মগেটের ভাড়া আগে যা ছিল তার থেকে কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু কেন বেড়েছে তার সঠিক উত্তর দিতে পারেননি তিনি। মিরপুর ১২ নম্বর থেকে নতুনবাজার চলাচলকারী বিহঙ্গ পরিবহনের বেশ কিছু যাত্রীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, ভাড়া হঠাৎ করেই বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে সুপারভাইজার ও চালকের সঙ্গে যাত্রীদের ঝগড়া ফ্যাসাদ হচ্ছে নিয়মিত। বিহঙ্গ পরিবহনের সুপারভাইজার মুজিবর জানান, গ্যাসের দাম বেড়েছে, তাই ভাড়া কিছুটা বেড়েছে। মিরপুর থেকে নতুনবাজারগামী গ্রামীণ পরিবহনের সিরাজ মিয়া বলেন, মিরপুর থেকে নতুনবাজার যেতে কয়েকদিন আগে ভাড়া আদায় করেছিলাম ১৮ টাকা। গ্যাসের দাম বেড়েছে। তাই দূরত্ব অনুপাতে ২ টাকা ৩ টাকা বেড়েছে। গাবতলী থেকে বাড্ডা অভিমুখী বৈশাখী পরিবহনের কয়েকজন বাসচালক, সুপারভাইজার ও লাইনম্যান জানান, কিছু গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি তারা শুনেছেন। তবে, আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কাছে এখনও নির্দেশনা আসেনি। মালিকপক্ষের নির্দেশনা পেলেই তারা ভাড়া বাড়াবেন। বৈশাখী পরিবহনের সুপারভাইজার শরীফ বলেন, ‘গ্যাসের দাস বাড়ার কারণে ভাড়া বাড়ছে। এটা আমরা শুনছি। এহন মালিক যদি অর্ডার করে তাইলে আমরাও বাড়ামু।’
যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তানের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি লেগুনা গাড়ি ৫ টাকার ভাড়া রেখেছে ১০ টাকা। এ সময় যাত্রীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। ভাড়া বাড়ানোর কারণ জানতে চাইলে চালকের সহকারী মিলন জানান, দিন শেষে টাকা জমার পরিমাণ বাড়িয়েছে মালিক। আগের তুলনায় দৈনিক ৫০০ টাকা বেশি জমা দিতে হয়। তাই বাড়তি ভাড়া কাটতে হচ্ছে। যাত্রাবাড়ী থেকে গাবতলীর উদ্দেশে ছেড়ে আসা ৮ নম্বর পরিবহনের একটি মিনিবাসে যাত্রী ও সহকারী চালকের সঙ্গে ঝগড়া হতে দেখা গেছে। ভাড়া বাড়ানোকে কেন্দ্র করে ঝগড়ার সূত্রপাত। যাত্রী মো. সেকান্দর আলম জানান, যাত্রাবাড়ী থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা নিতে চায়। মাত্র কয়েক কিলোমিটার পথ। ভাড়া ১০ টাকা ঠিক ছিল। তবুও ১২ টাকা দেয়া হয়। এত দিন ১৫ টাকার জন্য বায়না ধরলেও এখন একলাফে ২০ টাকা চায়। ১২ টাকার ওপরে এক টাকাও দেবো না। সেকান্দার আরও বলেন, গ্যাস, বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও বাস ভাড়া বাড়েনি। তবুও তারা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু করেছে। যাত্রী নেবে ঠেসে, দাঁড় করিয়ে; অথচ ভাড়া নেবে সিটিং সার্ভিসের মতো- তা কি করে হয়? মতিঝিল থেকে ছেড়ে আসা মিশন পরিবহনের একটি মিনিবাস চালকের সহকারী মিন্টু জানান, শুনেছি ভাড়া বাড়ছে। এখনও শুরু করিনি। আগামী ১০ই সেপ্টেম্বরের পর থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হবে বলে জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, রাজধানীতে ভাড়া নৈরাজ্য চলছে। বর্তমান নির্ধারণ করা ভাড়াই বেশি। রাজধানীতে সর্বনিম্ন যাত্রীসেবায় যে ভাড়া নির্ধারণ করা আছে, তা অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। তিনি আরও জানান, ভাড়া কমানো উচিত। উদারহরণ দিয়ে তিনি বলেন, প্রেস ক্লাব থেকে ভাড়া নির্ধারণ করা আছে ৫টা। কিন্তু কোন কোন বাসযাত্রীদের কাছ থেকে ২০ টাকা, ১০ টাকা এবং ১৫ টাকা ভাড়া আদায় করার অভিযোগ তাদের কাছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করে ভাড়া নৈরাজ্য কমাতে হবে। কিন্তু তা না করে বারবার ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে। এতে যাত্রীর স্বার্থ লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতি মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, যারা ভাড়া বেশি নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) ব্যবস্থা নেবে। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালতও তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে। আমরাও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। বিআরটিএ সচিব মুহাম্মদ শওকত আলী এ বিষয়ে ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ওদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট চলছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অপরাধে কিছু কিছু শাস্তিও দেয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অভিযোগ দিলে বিআরটিএ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সচিব নিজেই উল্লেখ করে বলেন, ১৩ নম্বর বাস আজিমপুর থেকে সিটি কলেজ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাত্রীদের কাছ থেকে ১৪ টাকা ভাড়া আদায় করার অভিযোগও তাদের কাছে আছে।

শুভ সমরাটপ্রথম পাতা
রাজধানীতে গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য চলছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের কাছে অনেকটাই জিম্মি যাত্রীরা। গ্যাসের বর্ধিত মূল্য কার্যকরের পর রাজধানীতে হঠাৎ কিছু গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে শুরু থেকেই। এ নিয়ে প্রতিদিনই নগর পরিবহনে যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহন কর্মীদের বচসা চলছে। কোথাও কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটছে। এর আগে যোগাযোগ...