sadeka_halim-290x306
ক্রসফায়ার কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তথ্য কমিশনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। গতকাল রোববার ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আইনবহির্ভূত কোনো কিছুকেই সমর্থন করা যায় না। সে কারণে ক্রয়ফায়ারের নামে গুলি করে মানুষ হত্যা সমর্থনের প্রশ্নই ওঠে না। এটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। তা ছাড়া ক্রসফায়ারের নামে যা বলা হচ্ছে তা সবসময় সত্যি নয়। কেননা, ক্রসফায়ার হলে তার কিছু নমুনা বা সাক্ষ্য থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রায় সব কটি ক্রসফায়ার প্রশ্নবিদ্ধ। এ প্রসঙ্গে তিনি লিমন প্রসঙ্গ টেনে আনেন এবং সম্প্রতি হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়ার কথা বলেন।
সাদেকা হালিম বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলার যদি অবনতি হয় তা হলে সরকারের ভাবা উচিত সুশাসন রক্ষার্থে কোন পথ বেছে নেয়া দরকার, কীভাবে তা দমন করা যায়। তা না করে সরকার যদি মনে করে ক্রসফায়ারে দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেবে তা হলে ঠিক হবে না। কেননা এ নিয়ে অনেকের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সরকারের কেউ কেউ এটি সমর্থন করলেও সরকারের কোনো কোনো নেতা, সাবেক মন্ত্রী বা এমপিরাও এর বিরোধিতা করে বক্তব্য রেখেছেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে ছাত্রদল বা ছাত্রলীগ যদি স্বেচ্ছাচারী হয়ে পড়ে তাহলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। কিন্তু ক্রসফায়ারে দিয়ে তা কখনো সমাধান করা যাবে না।
সাবেক এই তথ্য কমিশনার বলেন, মানুষ অনেক সময় অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে, আবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতায় হতাশ হতে পারে। সে কারণে তারা দ্রত কোনো রেজাল্ট বা সমাধান চাইতে পারে। তবে তার বিকল্প ক্রসফায়ার নয়।
তিনি মনে করেন, অনেক সময় জনগণের আকাক্সক্ষার চাপ থাকতে পারে। সে কারণে দ্রুত বিচারের স্বার্থে সরকার দ্রত বিচার ট্রাইব্যুনাল করতে পারে। এর সমাধান রাজনৈতিকভাবে করতে হবে।
সাদেকা হালিম বলেন, গণতন্ত্র বা সুশাসন রক্ষায় ক্রসফায়ার কোনো সমাধান নয়। এর ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে হয়তো কিছুটা সাময়িক সমাধান হচ্ছে কিন্তু প্রকৃত সমাধান হচ্ছে না। তার মতে, এক শ্রেণির জনগণ হিংস্র হয়ে পড়েছে, তারা বিভিন্ন ধরনের নৃশংস কার্যক্রম করছে। এটি একটি সামাজিক ও মনোজগতের সমস্যা। এদের কাউন্সিলিং করা দরকার। এদের কয়েকজনকে ধরে ক্রসফায়ারে দিলে আসল সমস্যার কোনো সমাধান হবে না।
তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে রাজনীতিবিদরাও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছেন। তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। সে কারণে সভ্য সমাজে ও গণতান্দ্রিক দেশে মানুষকে আত্মরক্ষার সুযোগ না দিয়ে ক্রসফায়ারে দিয়ে মেরে ফেলাকে কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

হীরা পান্নাপ্রথম পাতা
ক্রসফায়ার কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তথ্য কমিশনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। গতকাল রোববার ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আইনবহির্ভূত কোনো কিছুকেই সমর্থন করা যায় না। সে কারণে ক্রয়ফায়ারের নামে গুলি করে মানুষ হত্যা সমর্থনের প্রশ্নই ওঠে না। এটি একটি...