1437468583

কুড়িগ্রামের ১২টি ভারতীয় ছিটমহলের ৩১৭ জন অধিবাসী ভারতে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের ১৬২টি ছিটমহলে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ জনগণনায় তারা ভারতে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।

ছিটমহল বিনিময় হবে ৩১ জুলাই মধ্যরাতে। আগামী ৩ আগষ্ট থেকে তারা ভারতে যেতে পারবেন। গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ জনগণনার কাজ শুরু হয়। শেষ হয় ১৬ জুলাই। এতে অংশ নেন দু’দেশের গণনাকারী ও সুপারভাইজারগণ। বর্তমান জরিপে কুড়িগ্রামের ১২টি ছিটমহলের পরিবার দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৩০টি এবং লোকসংখ্যা ৮ হাজার ২৩২ জন। ২০১১ সালের জনগণনায় এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬৩৩ পরিবারের ৮ হাজার ৩০৫ জন মানুষ।

ছিটমহলবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, রেশনকার্ড, ফ্ল্যাটবাড়ি আর কর্মসংস্থানসহ ভারত সরকারের দেয়া নানা সুযোগ-সুবিধা সত্ত্বেও ভারতীয় ছিটমহলের বেশীর ভাগ মানুষ শেষ পর্যন্ত নাড়ির টানেই বাংলাদেশের ভূখণ্ডে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আত্মীয়স্বজন ছেড়ে ভারতে গিয়ে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে চাননি তারা। কুড়িগ্রামের ১২টি ছিটমহলের প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মানুষের মধ্যে ভারত যাচ্ছেন মাত্র ৩১৭ জন মানুষ। অথচ জনগণনা শুরুর আগে ধারণা করা হয়েছিল কয়েক হাজার মানুষ ভারতে যেতে পারেন।

ছিটমহল আন্দোলনের নেতারা জানান, লোভনীয় সুবিধা প্রত্যাখ্যান করে মাতৃভূমিতে থাকার এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বেশীরভাগ মানুষ। ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির ভারতীয় ইউনিটের সহ-সাধারণ সম্পাদক দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হলো মাতৃভূমির চেয়ে বড় কিছু নেই’। এই সংগঠনের বাংলাদেশ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘মানুষ শান্তিপূর্ণভাবেই তাদের মতামত দিয়েছেন। আর দেখা যাচ্ছে- জন্মভূমির প্রতিই মানুষের টান বেশী।’

ওয়াজ কুরুনীজাতীয়
কুড়িগ্রামের ১২টি ভারতীয় ছিটমহলের ৩১৭ জন অধিবাসী ভারতে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের ১৬২টি ছিটমহলে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ জনগণনায় তারা ভারতে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। ছিটমহল বিনিময় হবে ৩১ জুলাই মধ্যরাতে। আগামী ৩ আগষ্ট থেকে তারা ভারতে যেতে পারবেন। গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ জনগণনার কাজ শুরু হয়।...