1438434113
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় যৌতুকের দাবিতে উম্মে আয়মন সুলতানা স্বর্ণা নামের মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার শশীদল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর নূরুল ইসলাম ওরফে নান্নু মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত স্বর্ণা উপজেলার শশীদল গ্রামের ডা. আবদুল খালেকের মেয়ে এবং কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের ৩য় বর্ষের ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শশীদল গ্রামের ডা. আবদুল খালেকের মেয়ে স্বর্ণার সাথে এক বছর আগে একই গ্রামের নূরুল ইসলাম ওরফে নান্নু মিয়ার ছেলে জামিল হোসেন ইমনের বিয়ে হয়।

নিহতের পারিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন প্রায়ই স্বর্ণাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। শুক্রবার রাতে স্বামীসহ পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য স্বর্ণাকে হত্যা করে তার মরদেহ বিছানার ওপর ফেলে তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশ শনিবার সকালে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে বিকালে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে।

শনিবার নিহতের বাবা বাদী হয়ে স্বর্ণার স্বামী ও শ্বশুরসহ ছয়জনকে আসামি করে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার আসামিরা হচ্ছে- স্বর্ণার স্বামী ইমন, ইমনের বাবা নান্নু মিয়া, ভাই সুমন ও সুজন এবং ভাবী ফাতেমা ও তানিয়া।

থানার এসআই ফরহাদ হোসেন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, নিহতের গলায় দুটি দাগ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে তার গলায় তার পেচিয়ে এবং বালিশ চাপা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর নান্নু মিয়াকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

ওয়াজ কুরুনীস্বদেশের খবর
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় যৌতুকের দাবিতে উম্মে আয়মন সুলতানা স্বর্ণা নামের মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার শশীদল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর নূরুল ইসলাম ওরফে নান্নু মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত স্বর্ণা উপজেলার শশীদল গ্রামের ডা. আবদুল খালেকের মেয়ে এবং কুমিল্লা...