লাইফস্টাইল ডেস্ক । ডা. সঞ্চিতা বর্মন
শরীরের বাড়তি মেদ নিয়ে আজকাল অনেকেই চিন্তিত। বাড়তি মেদ নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া, মুখে অবাঞ্ছিত লোম, নানা ধরনের স্ত্রীরোগ ইত্যাদি অতিরিক্ত মেদ ও ওজন বৃদ্ধির জন্য হয়ে থাকে। এছাড়া দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার জন্য মেদ বেশি না হলে কেউই একে গুরুত্বের সঙ্গে নেন না। যথাযথ সচেতনতা শুরু থেকে থাকলে মেদ কমানো সম্ভব।

পেটের মেদ কমাতে শারীরিক পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এই পরিশ্রম ব্যায়াম বা প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় হালকা জগিং-এর মাধ্যমে করা যায়। ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হালকা জগিং বা জোরে হাঁটার পর দেহে সঞ্চিত ফ্যাট ভাঙতে থাকে। তাই ৪০ বা ৪৫ মিনিট হাঁটার পর ১০ বা ১৫ মিনিট জগিং বা জোরে হাঁটলে জমানো ফ্যাট কমতে থাকে।

এছাড়াও হাঁটার পাশাপাশি খাবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। খাবারের তালিকায় শর্করা জাতীয় খাবারের চেয়ে প্রোটিন জাতীয় খাবার, আঁশযুক্ত শাক-সবজি ও ফলের পরিমাণ বেশি থাকতে হবে। চর্বিযুক্ত খাবার যথা সম্ভব কম খেতে হবে। পাশাপাশি প্রচুর পানি পান ও যখন তখন না ঘুমিয়ে রাতে ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে। এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে ১০ মিনিট আস্তে হাঁটলে শরীরে যে হরমোন ও এনজাইম নিঃসৃত হয় তা সারা দিনের খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করা সম্ভব।

তবে অতি দ্রুত ওজন কমানো গেলে এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই ধীরে ধীরে ওজন কমাতে হবে। নিয়ম মেনে পরিমিত ব্যায়াম করে গেলে ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে শুধু পেটের মেদই নয়, সারা দেহের মেদ কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফিগার পাওয়া যেতে পারে।

লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/12/179.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/12/179-300x300.jpgশিশির সমরাটস্বাস্থ্য কথা
লাইফস্টাইল ডেস্ক । ডা. সঞ্চিতা বর্মন শরীরের বাড়তি মেদ নিয়ে আজকাল অনেকেই চিন্তিত। বাড়তি মেদ নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া, মুখে অবাঞ্ছিত লোম, নানা ধরনের স্ত্রীরোগ ইত্যাদি অতিরিক্ত মেদ ও ওজন বৃদ্ধির জন্য হয়ে...