1439900189
জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রেমিকের সহযোগিতায় নবম শ্রেণির ছাত্রী (১৬) গণধর্ষণের ঘটনায় প্রেমিক ও তার তিন বন্ধুকে আসামি করে মামলা হয়েছে। সোমবার রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

এদিকে ঘটনার একদিন পর মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গণধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে সোমবার সারাদিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। মঙ্গলবার দুপুর একটায় ওই মেয়েকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাজপাতালে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আর ঘটনার একদিন পর মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় জেলার পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালেহ আহমেদ ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার উপস্থিত ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, ধর্ষকরা যেখানেই যাক না কেন অতি শীঘ্রই তাদের আটক করা যাবে। তাদেরকে আটকের জন্য পুলিশের লোকজন বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, রবিবার বিকেলে উপজেলার জামালপুর বাগমারপাড়া গ্রামের ওই ছাত্রীকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে প্রেমিক মতিউর রহমান (২৫) ও তার তিন বন্ধু বেড়াতে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় একই উপজেলার বাহাদুরসাদী দক্ষিণবাগ গ্রামের নির্জন একটি টেকে নিয়ে রাতভর প্রেমিক মতিসহ তার বন্ধু মাসুদ (২২), নজরুল (৩০) ও আরিফ (২৫) পালাক্রমে ধর্ষণ করে। সোমবার ভোরে মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইউপি সদস্য জনাব আলীর কাছে তুলে দেয়। ওই ইউপি সদস্য জামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল আলমের কাছে পাঠালে তার সহযোগিতায় ধর্ষিতাকে থানা হেফাজতে পাঠানো হয়। মেয়েটি উপজেলার একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী।

তাহসিনা সুলতানাস্বদেশের খবর
জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রেমিকের সহযোগিতায় নবম শ্রেণির ছাত্রী (১৬) গণধর্ষণের ঘটনায় প্রেমিক ও তার তিন বন্ধুকে আসামি করে মামলা হয়েছে। সোমবার রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এদিকে ঘটনার একদিন পর মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ। তিনি ঘটনাস্থল...