1444229710

সিলেটে শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলামকে খুব শিগগিরই দেশে আনা হচ্ছে। তাকে আনতে ১২ অক্টোবর সৌদি আরবে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের তিন কর্মকর্তা। ওই তিন কর্মকর্তা হলেন—সদর দফতরের অতিরিক্ত সুপার মাহাবুবুল করিম, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ এবং সহকারী কমিশনার এ এফ এফ নেজাম উদ্দিন।
বুধবার পুলিশ সদরদফতর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়—গত ৮ জুলাই শিশু রাজনকে নৃশংসভাবে খুন করে কিছু দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে মোট ১৩ জন আসামির বিরদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জনকে আগেই গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তবে ঘটনার দুই দিন পর মামলার প্রধান আসামি কামরুল জেদ্দায় পালিয়ে যান। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাকে আটক করে।
এরপর ইন্টারপোলের মাধ্যমে রিয়াদ এনসিবির সহযোগিতা চেয়ে রেড নোটিস ইস্যুর জন্য অনুরোধ জানায় পুলিশ সদর দফতর। পাশাপাশি পুলিশ দফতরের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যম হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বন্দি বিনিময়ের জন্য অনুরোধ করেন সৌদি কর্তৃপক্ষকে। এআইজি (এনসিবি) মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া সার্বিক যোগযোগ অব্যাহত রাখেন। এর প্রেক্ষিতে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ আসামি কামরুলকে ফেরত দিতে সম্মত হয়।
পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘শিশু রাজন হত্যা মামলাটিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র তৈরিতে আমরা তত্পর। নানা নিয়ম-নীতি মেনে এ আসামিকে নিয়ে আসতে পারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টারই অংশ।’

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/1444229710.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/1444229710-300x300.jpgঅর্ণব ভট্টপ্রথম পাতা
সিলেটে শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলামকে খুব শিগগিরই দেশে আনা হচ্ছে। তাকে আনতে ১২ অক্টোবর সৌদি আরবে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের তিন কর্মকর্তা। ওই তিন কর্মকর্তা হলেন—সদর দফতরের অতিরিক্ত সুপার মাহাবুবুল করিম, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ এবং সহকারী কমিশনার এ...