1440752890
জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদের জানাজায় জাতীয় পার্টি (এ) এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে না দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহ।

তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বোঝে না, তারা যে হিংসার রাজনীতি করে, তারা যে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে- তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ আজ দিল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জানাজায় না এসে।”

শুক্রবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ চত্বরের দক্ষিণ প্লাজায় কাজী জাফরের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সিপিবি পলিট ব্যুরোর সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হায়দার আকবর খান রনো, সাবেক মন্ত্রী মাইদুল ইসলাম মুকুল, সাবেক হুইপ শহিদুল হক জামাল, বিএনপি নেতা আসম হান্নান শাহ, আহমেদ আজম খান, মনিরুল হক চৌধুরী, শাহ মো. আবু জাফর, নূর মোহাম্মদ খান, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, খন্দকার লুৎফর রহমান, এনডিপির খন্দকার গোলাম মূর্তজা, ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) টিআইএম ফজলে রাব্বী, মোস্তফা জামাল হায়দারসহ সংসদের কর্মচারীরা এ জানাজায় অংশ নেন।

তবে আওয়ামী লীগ বা তাদের শরিক জোট এবং জাতীয় পার্টির (এরশাদ) কোনো জ্যেষ্ঠ নেতা বা সংসদ সদস্য এ সময় উপস্থিত ছিলেন না।

সংসদ চত্বরে জানাজা শেষে কাজী জাফরের কফিন নিয়ে যাওয়া হয় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। সেখানে জানাজা শেষে মরদেহ গুলশানে নেওয়া হবে।

বিকালে গুলশানের আজাদ মসজিদে আরেক দফা জানাজার পর কাজী জাফরের বাসায় বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ রাখা হবে।

চিওড়ায় গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাজী জাফরকে দাফন করা হতে পারে বলে এর আগে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কাজী জাফর আহমেদ মারা যান।

তাহসিনা সুলতানাজাতীয়
জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদের জানাজায় জাতীয় পার্টি (এ) এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে না দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহ। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বোঝে না, তারা যে হিংসার রাজনীতি করে, তারা যে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের হেয়...