ELECTION COMMISION

প্রধানমন্ত্রীর বিশষ দূতের মতো ‘লাভজনক’ পদে থাকায় জাতীয় পাটি (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল কল্যাণ পার্টির আইন বিষয়ক সম্পাদক মুবিনুল হক।

নির্বাচন কমিশনে পাঠানো ওই নোটিসে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত পদটি লাভজনক। সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুসারে লাভজনক পদে থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ সংসদ সদস্য পদে থাকবার যোগ্যতা হারিয়েছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ১২-এ লাভজনক পদের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় ‘ফুলটাইম সার্ভিস’ পদধারীরা লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলে গণ্য হবে। সংবিধানের ৬৬ (২), ৬৬ (৪) এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে এরশাদের সদস্য পদ বাতিলের ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (আইন) মো. শাহজাহান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, এ বিষয়ে কমিশনের কিছুই করার নেই। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের পদটি লাভজনক কি না তা আদালতে নির্ধারিত হতে হবে। লাভজনক পদের সংজ্ঞাও আইনে নির্ধারিত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে সিএমএইচে থাকা অবস্থায় রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এইচ এম এরশাদ।

হাসন রাজাপ্রথম পাতা
প্রধানমন্ত্রীর বিশষ দূতের মতো ‘লাভজনক’ পদে থাকায় জাতীয় পাটি (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল কল্যাণ পার্টির আইন বিষয়ক সম্পাদক মুবিনুল হক। নির্বাচন কমিশনে পাঠানো ওই নোটিসে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত পদটি লাভজনক। সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব...