92616_x4
মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এমএম শাহীনকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল একটি মামলায় জামিন চাইলে মৌলভীবাজার ৩ নং আমলি আদালতের বিচারক জিহাদুর রহমান তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সূত্র জানায়, গত ৫ই জানুয়ারি কেন্দ্রীয় বিএনপি-ঘোষিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে কুলাউড়ায় এমএম শাহীনের নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ বিশাল কালো পতাকা মিছিল বের করে বিএনপি। পুলিশ হঠাৎ করে শান্তিপূর্ণ কালো পতাকা মিছিলের ওপর টিয়ার শেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় এমএম শাহীনসহ বিএনপির ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় কুলাউড়া থানার এসআই জি এম আসলামুজ্জামান বাদী হয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৭৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা রুজু করেন। মামলার এজাহারে এমএম শাহীনের নাম ছিল না। কিন্তু ঘটনার ৬ মাস পর আকস্মিকভাবে কুলাউড়ার জনপ্রিয় সাবেক এমপি ও বিএনপি নেতা এমএম শাহীনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে ৪৪ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গত ৩০শে জুন মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফরিদ। মামলার চার্জশিটে এমএম শাহীনসহ বিএনপির কুলাউড়া উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাচ্চু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ তফাজ্জুল হোসেন তফই, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ময়েজ উদ্দিন আকল সহ মোট ৪৪ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় ১৪ই সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজার ৩ নং আমলি আদালতের বিচারক জিহাদুর রহমানের কাছে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এমএম শাহীনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বদরুল হোসেন ইকবাল ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, এজাহারে এমএম শাহীনের নাম ছিল না। তারপরও রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই ওই মামলায় তাকে আসামি করা হয়।

নৃপেন পোদ্দারএক্সক্লুসিভ
মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এমএম শাহীনকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল একটি মামলায় জামিন চাইলে মৌলভীবাজার ৩ নং আমলি আদালতের বিচারক জিহাদুর রহমান তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সূত্র জানায়, গত ৫ই জানুয়ারি কেন্দ্রীয় বিএনপি-ঘোষিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে কুলাউড়ায় এমএম শাহীনের...