1442234321
এখন থেকে সব সেক্টরেই কর্মী নেবে মালয়েশিয়া। আগে শুধু বনায়ন সেক্টরে (প্লান্টেশন) শ্রমিক নেয়া হত। সোমবার মন্ত্রণালয়ে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত্ শেষে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে এ তথ্য জানান।

তিনি আরো জানান, কর্মী পাঠানোয় গতি আনতে সরকারি নিয়ন্ত্রণে জিটুজি প্লাস (বাংলাদেশ সরকার ও মালয়েশিয়া সরকারের মাধ্যমে) পদ্ধতিতে জনবল পাঠানো হবে। মাস খানেকের মধ্যে এ পক্রিয়া শুরু হতে পারে। এভাবে একজন কর্মী পাঠাতে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এতোদিন দুই দেশের সরকারের মধ্যে চুক্তির ভিত্তিতে জিটুজি পদ্ধতিতে কর্মী পাঠানো হতো। এখন জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে পাঠানো হবে। বেসরকারি পর্যায়ে লোক নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদল আসেনি। তবে সরকার চাইলে জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠনকে (বায়রা) এ কাজে সংযুক্ত করতে পারবে। জিটুজির সঙ্গে নতুন পদ্ধতির পার্থক্য এটাই।’

মঙ্গলবার এ বিষয়ে মালয়েশিয়া প্রতিনিধি দলের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর জন্য তৈরি করা ডেটাবেইস থেকেই শ্রমিকদের বাছাই করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি জেনারেল শরিফউদ্দিন বিন কাশিম। মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠক করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দার।

মিস্টি রহমানজাতীয়
এখন থেকে সব সেক্টরেই কর্মী নেবে মালয়েশিয়া। আগে শুধু বনায়ন সেক্টরে (প্লান্টেশন) শ্রমিক নেয়া হত। সোমবার মন্ত্রণালয়ে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত্ শেষে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে এ তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, কর্মী পাঠানোয় গতি আনতে সরকারি...