11899905_752278998215246_628280502061172473_n_103515.png
প্রতিদিনকার মত আজও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক কনস্টেবল মনির আহাম্মদ। উদ্দেশ্য নিমতলি বিশ্বরোড মোড়ে যানবাহন ও জনগনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা।

সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল। নাস্তা করা হয়নি। ফুটপাত ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ পাশে নালাতে চোখ পড়তেই দেখলেন ছোট্ট একটি হাত নড়ছে। আরে এতো বাচ্চা একটি শিশুর হাত! নাস্তা পরিপাটি পোশাক-পরিচ্ছদ, ডিউটির চিন্তা সব মাথা থেকে উধাও! সবভুলে শিশুটি বাচাঁতে লাফিয়ে পড়লেন দশ-পনের ফিট গভীর নালাতে। টেনে উপরে ভাসিয়ে তুললেন স্কুল পড়ুয়া এক ছোট্ট ছেলেকে। ছেলেটিকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও প্রায় পঁচা দুর্গন্তযুক্ত নালায় ডুবে মরতে যাচ্ছিলেন।

আশে-পাশের লোকজন ও সহকর্মীরা সময়মত না আসলে মনিরসহ ছেলেটি ডুবে যেত। উদ্ধারের পর জানা গেলো মূল ঘটনা। সকালে স্কুলে যাবার পথে ফুটপাত ধরে হাঁটার সময় ছেলেটি। হঠাৎ পা পিছলে দশ-পনের ফিট গভীর নালাতে পড়ে যায়। তারপরপরই নায়ক ট্রাফিক কনস্টেবল মনিরের আগমণ। ছোট্ট ছেলেটির নাম সাজ্জাদ হোসেন, পিতা সাহাদাত হোসেন, মাতা-জেসমিন আকতার, চট্টগ্রামের নিমতলি এলাকাতেই তারা থাকেন।

হাসন রাজাএক্সক্লুসিভ
প্রতিদিনকার মত আজও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক কনস্টেবল মনির আহাম্মদ। উদ্দেশ্য নিমতলি বিশ্বরোড মোড়ে যানবাহন ও জনগনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা। সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল। নাস্তা করা হয়নি। ফুটপাত ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ পাশে নালাতে চোখ পড়তেই দেখলেন ছোট্ট একটি হাত নড়ছে। আরে এতো বাচ্চা একটি...