1437391629

ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘরে ফেরা হয়নি সোয়া লাখ পুলিশের। রাস্তাঘাট, ঈদগাহ, ঘরবাড়ি, ব্যাংক-বীমা আর বিনোদন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা মাঠে থেকেছেন বলে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক জানান।

তিনি বলেন, ‘মানুষের বাড়তি আনন্দ বা কষ্ট মানেই আমাদের বাড়তি দায়িত্ব। মানুষের কষ্ট লাঘব করে আনন্দ বা খুশির নিশ্চয়তা দেয়াই আমাদের আনন্দ’।

কাজে এই বাড়তি চাপ নিতে নিজের ঘরে ফিরতে পারেনি পুলিশের ৮০ ভাগ সদস্য। এক লাখ ছাপ্পান্ন হাজার সদস্যের মধ্যে সোয়া লাখই থেকেছে কর্মক্ষেত্রে।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রিয়জনের সাথে মিলিত হওয়ার আনন্দ সবাই থেকেছে বিভোর। শুধু ব্যতিক্রম ছিল পুলিশ। দিনরাত রাস্তায়, রেল, নৌপথে, বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করেছেন তারা।’

ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিতে অফিস-আদালত যখন বন্ধ, তখন পুরোপুরিই খোলা থেকেছে থানা-ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, সচল থেকেছে পুলিশ সব অফিস।

নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে আগেই গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে উল্লেখ করে শহীদুল হক বলেন, কোন ঈদগাহ বা মসজিদে নামাজ আদায় বা অন্য কোন ইস্যু নিয়ে কারো মধ্যে কোন সমস্যা আছে কিনা, আগের বছরগুলোতে কোন গ্রাম বা মহল্লায় কোন সমস্যা হয়েছিল কিনা সে অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছিল।

হঠাৎ নিরাপত্তা সমস্যা মোকাবেলা করতে পুলিশের একটি দলকে ‘স্ট্যান্ডবাই’ রাখা হয়েছিল বলেও জানান পুলিশের আইজিপি।

বাহাদুর বেপারীজাতীয়
ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘরে ফেরা হয়নি সোয়া লাখ পুলিশের। রাস্তাঘাট, ঈদগাহ, ঘরবাড়ি, ব্যাংক-বীমা আর বিনোদন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা মাঠে থেকেছেন বলে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক জানান। তিনি বলেন, 'মানুষের বাড়তি আনন্দ বা কষ্ট মানেই আমাদের...