image_276533.news_img
ইয়েমেনে রকেট হামলায় বাংলাদেশের আনছারুল হক চম্পা নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় এডেন নগরীর কশর হোটেলে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় চম্পা নিহত হন। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায়। তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, আনছারুল সারজা ন্যাশনাল টিমে চাকরি করত।

নিহতের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মহির খারুয়া গ্রামে। সে মহিরখরুয়া গ্রামের মৃত নইমুদ্দিন আহম্মেদের ছোট ছেলে। নিহতের খবরে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

তার বড় ভাই কাঞ্চন মিয়া ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আনছারুল হক চম্পার বন্ধু সোহেল দুবাই থেকে ফোন করে জানায়, বাংলাদেশ সময় ১২টার দিকে ইয়েমেনের ইডেন শহরে কশর হোটেল হামলার ঘটনায় চম্পা মারা গেছে। কাঞ্চন বলেন, তার ভাই তিন মাস আগে দুবাই থেকে ইথিওপিয়া যায়। সেখান থেকে দেড় মাস আগে ইয়েমেনের ইডেন শহরের কশর হোটেলে সারজা ন্যাশনাল টিমের সঙ্গে চাকরি শুরু করে।
নিহত আনসুরুল হক চম্পার স্ত্রী জেসমিন (৩২) বলেন, ঈদের পরদিন আমার স্বামীর সঙ্গে কথা হয়েছিল। তখন সে জানায়, ইয়েমেনে কশর হোটেলে ন্যাশনাল টিমের সঙ্গে আছে। এই শহরে শুধু মারামারি। যদি বেঁচে থাকি তাহলে দেশে এসে নতুন ঘর তৈরি করব।

রকেট হামলায় নিহত আনছারুল হক চম্পার দুই কন্যা সন্তানের জনক। বড় মেয়ে ঐশি গফরগাঁও খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। ছোট মেয়ে শশী ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।

চম্পার বড় ভাই মোস্তাক আহম্মেদ রতন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, সংসারের অভাব-অনটন দূর করার জন্য জমি বিক্রি করে ও সুদে টাকা নিয়ে ৪ লাখ টাকা খরচ করে তাকে দুবাই পাঠিয়েছিলাম। সেখান থেকে সে ইয়েমেনে যায়। কিন্তু তার ভাগ্যে সুখ সইলো না।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/image_276533.news_img.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/image_276533.news_img-300x300.jpgহীরা পান্নাপ্রবাস জীবন
ইয়েমেনে রকেট হামলায় বাংলাদেশের আনছারুল হক চম্পা নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় এডেন নগরীর কশর হোটেলে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় চম্পা নিহত হন। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায়। তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, আনছারুল সারজা ন্যাশনাল টিমে চাকরি করত। নিহতের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মহির খারুয়া...