1441650775
বিশ্ব বিবেককে জাগ্রত করা আয়লান কুর্দিকে বিশ্ববাসীর স্মরণ অব্যাহত রয়েছে। তার স্মরণে চলছে নানা কার্যক্রম। বিভিন্ন দেশের মতো গতকাল আয়লানের স্মরণে প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। দেশটির সিডনি, মেলবোর্নসহ বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষসহ ছোট ছোট শিশুরা অংশ নেয়। তারা অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে অস্ট্রেলিয়া সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব দেশের প্রতি আহবান জানান।

এদিকে সমুদ্র সৈকত থেকে আয়লান কুর্দিকে উদ্ধার করা পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাকে কোলে তুলে নেয়ার সময় নিজের সন্তানের ছবি চোখে ভেসে উঠছিল। গত সপ্তাহে তুরস্কের বোদরাম সৈকতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় আয়লান কুর্দিকে। তাকে দেখে মনে হয়েছিল, একটি শিশু সৈকতে শুয়ে আছে। এই ছবি সারা বিশ্বের মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে। এরপরই কয়েকটি পশ্চিমা দেশ অভিবাসীদের গ্রহণ করতে রাজি হয়।

বর্তমানে অভিবাসীরা অস্ট্রিয়া এবং জার্মানিতে যাচ্ছেন। ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়াও শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে সম্মতি দেয়। গতকাল স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শিশুরাও প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাদের প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, আমরা অভিবাসীদের আমাদের বাড়িতে স্থান দিতে চাই। অনুষ্ঠানে মোমবাতি প্রজ্তলন করা হয়। স্মরণ অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদও অনুষ্ঠিত হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা মেহমেট সিপ্লাক বলেন, এর আগে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। কিন্তু এভাবে কখনো ভেঙ্গে পড়েননি। সিপ্লাক বলেন, সেই দিনের দৃশ্য কিছুতেই ভুলতে পারছি না। প্রথমে শিশুটিকে দেখে ভেবেছিলাম সে বেঁচে আছে। এজন্য ওর দিকে এগিয়ে যাই। কিন্তু কোলে তোলার পর বুঝতে পারি ও আর বেঁচে নেই। তিনি জানান, তারও একটি ছয় বছরের ছেলে রয়েছে। পুলিশ নয়, একজন বাবা হিসেবেই সেই দিন আয়লানকে কোলে তুলে নিয়েছিলাম, বলেন সিপ্লাক।

তাহসিনা সুলতানাআন্তর্জাতিক
বিশ্ব বিবেককে জাগ্রত করা আয়লান কুর্দিকে বিশ্ববাসীর স্মরণ অব্যাহত রয়েছে। তার স্মরণে চলছে নানা কার্যক্রম। বিভিন্ন দেশের মতো গতকাল আয়লানের স্মরণে প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। দেশটির সিডনি, মেলবোর্নসহ বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষসহ ছোট ছোট শিশুরা অংশ নেয়। তারা অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে অস্ট্রেলিয়া সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব দেশের...