i604y36e-150x89
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অসম্মান করে আওয়ামী লীগের নেতারা বঙ্গবন্ধুকেও অশ্রদ্ধা ও অসম্মান করছেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ মন্তব্য করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা পরিষদ।

আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নন— এই কথা বলে আপনারা শুধু শহীদ জিয়াকেই অসম্মান করনেনি, এর সঙ্গে আপনাদের নেতাকেও অশ্রদ্ধা ও অসম্মান করেছেন। কারণ আপনাদের নেতাই শহীদ জিয়াকে বীরপ্রতীক খেতাব দিয়েছেন। তাহলে এখন কি আপনারা বলতে চান, বঙ্গবন্ধু না বুঝেই এই খেতাব জিয়াউর রহমানকে দিয়েছেন।’

জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নন— আওয়ামী লীগের নেতাদের এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যদি মুক্তিযোদ্ধা না হন তাহলে বাংলাদেশের কেউ মুক্তিযোদ্ধা নন।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাদের মুখে এখন অনেক কথাই শুনি। কারণ তারা শহীদ জিয়াকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে সংবিধান পরিবর্তন করেছে। তাই এ বিষয়ে এখন কিছু বললে আমি রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধে অভিযুক্ত হব।’

বর্তমান ক্ষমতাসীনরা রাষ্ট্রীয়ভাবে আইন করে শহীদ জিয়ার নাম বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছে বলেও মন্তব্য করেননজরুল ইসলাম খান।

সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘কোনো আইন করেই শহীদ জিয়ার নাম বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। কারণ দেশের জনগণ সত্যিকারের ইতিহাস জানে।’

‘ক্ষমতাসীনরা কিছু দলবাজ বুদ্ধিজীবী লালন-পালন করেন’— এমন মন্তব্য করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই দলবাজ বুদ্ধিজীবীদের মুখ থেকে ভালোকথা বের হয় না। কারণ তারা সত্য কথা গোপন রেখে জনসম্মুখে মিথ্যা কথা বলেন।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘বিদ্যুতের উৎপাদন নিয়ে সরকার আজ গর্ব করে। কিন্তু বাংলাদেশে বিদ্যুতের প্রথম এনেছেন শহীদ জিয়াউর রহমান।’

‘শহীদ জিয়া নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন আছে’ উল্লেখ করে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, ‘এই গবেষণার দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ নিয়েছেন। তাই আমি কথা দিচ্ছি তাকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।’

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা পরিষদের আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘যে কাজে আমরা হাত দিয়েছি তা সম্পূর্ণ না করা পর্যন্ত ঘরে ফিরব না। আর এ কাজে কোনো জ্ঞানী লেখককে দায়িত্ব দেওয়া হবে না। আমাদের তরুণরাই বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রাম ঘুরে প্রামাণ্য চিত্র রচনা করবে।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়াকে আমি রাজনীতিবিদ বলি না। কারণ তিনি একজন গ্রেট রাষ্ট্রনায়ক।’

এর আগে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা পরিষদের প্রথম যাত্রা (শুক্রবার) উপলক্ষে সংগঠনটির সকল নেতাকর্মীদের পরিচয় করিয়ে দেন এমাজউদ্দীন আহমদ।

আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য আ ফ ম ইউসুফ হায়দায়, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, ড. অলোক গুপ্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/i604y36e-150x89.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/i604y36e-150x89.jpgনৃপেন পোদ্দারজাতীয়
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অসম্মান করে আওয়ামী লীগের নেতারা বঙ্গবন্ধুকেও অশ্রদ্ধা ও অসম্মান করছেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ মন্তব্য করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান...