bdp_96057
লোকসংগীতের প্রাণপুরুষ আবদুল আলীমের ৮৪তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩১ সালের এই দিনে পশ্চিমবাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার তালিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। লোকসংগীতকে জনপ্রিয় করার পেছনে তার অবদান অনস্বীকার্য। জীবদ্দশায় লোকসংগীতকে এক অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন আবদুল আলীম। তার বাবার নাম শেখ মো. ইউসুফ আলী।

ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি ভালবাসা ছিল আবদুল আলীমের। সেই ধারাবাহিকতায় কৈশোরে শুরু করেন সংগীতচর্চা। বেশ ক’জন ওস্তাদের কাছে তিনি তালিম নেন। এক সময় গান করতে করতেই কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তার গান শুনে মুগ্ধ হন কবি। তখন কলকাতার মেগাফোন কোম্পানির ট্রেনার ধীরেন দাসকে আবদুল আলীমের গান রেকর্ডিংয়ের নির্দেশও দেন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৪৮ সালের ৯ই আগস্ট আবদুল আলীম সর্বপ্রথম বেতারে গান পরিবেশন করেন। এরপর তিনি সঙ্গীতজ্ঞ মমতাজ আলী খানের কাছে গানের তালিম নিয়ে পল্লীগানের জগতে চলে আসেন। এ মাটির গানকেই স্থায়ীভাবে বেছে নেন আবদুল আলীম। পল্লীগান ছাড়াও ইসলামী গানেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।

১৯৫২-৫৩ সালে আবদুল আলীম কলকাতায় বঙ্গীয় সাংস্কৃতিক সম্মেলনে গান গেয়ে এদেশের বাইরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। এ সময়টায় পল্লীগানে খ্যাতির চূড়ায় অবস্থান করেন এ শিল্পী। আবদুল আলীমের প্রায় ৫০০ গান রেকর্ড করা রয়েছে। এছাড়া বেতার স্টুডিও রেকর্ডেও রয়েছে প্রচুর গান। ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন আবদুল আলীম। আজ তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আবদুল আলীম সংগীত পরিষদসহ বিভিন্ন সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন টেলিভিশন ও বেতার আজ শিল্পীর জীবনের ওপর বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

কংকা চৌধুরীবিনোদন
লোকসংগীতের প্রাণপুরুষ আবদুল আলীমের ৮৪তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩১ সালের এই দিনে পশ্চিমবাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার তালিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। লোকসংগীতকে জনপ্রিয় করার পেছনে তার অবদান অনস্বীকার্য। জীবদ্দশায় লোকসংগীতকে এক অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন আবদুল আলীম। তার বাবার নাম শেখ মো. ইউসুফ আলী। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি ভালবাসা ছিল...