89574_inu
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জাসদকে জড়িয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের দেয়া বক্তব্য ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির ঐক্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশে হঠাৎ করে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় চার নেতা ছাড়া আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বঙ্গবন্ধু হত্যার পর গঠিত খন্দকার মোশতাক সরকারে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু জাসদের কোনো নেতাকর্মী সেই সরকারে যোগ দেননি।
বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাসানুল হক ইনু ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের অপকর্ম আড়াল করতেই এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত জাসদ রাজনৈতিক দল হিসেবে কী কর্মকা- করেছে, কী ভূমিকা রেখেছে, জাসদ নেতাদের কী ভূমিকা ছিল তা পত্র-পত্রিকা ও রেডিও-টেলিভিশনে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে। জাসদ সভাপতি বলেন, জাসদ সৃষ্টির পর থেকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিভিন্ন সময় নেওয়া পদক্ষেপ ভুল ছিল না সঠিক ছিল, সেটি ইতিহাসই বিচার করবে। সাম্প্রতিক কালে আওয়ামী লীগের কিছু নেতা ও বিএনপি নেতারা হঠাৎ করেই জাসদের বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু করেছেন উল্লেখ করে ইনু বলেন, বিএনপির নেতারা জাসদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন, আমি তাদের সঙ্গে বাকযুদ্ধে লিপ্ত হতে চাচ্ছি না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোশতাক সরকারের বিরুদ্ধে জাসদ একটি প্রচারপত্র দেয়। মোশতাক সরকারের ৮৩ দিনের শাসনকালে জাসদের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এমনকি ৭০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে মেরে ফেলা হয়। জাসদের কোনো নেতা মোশতাকের সঙ্গে হাত মেলায়নি। কারা খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন, তা আপনার জানেন।

অর্ণব ভট্টজাতীয়
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জাসদকে জড়িয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের দেয়া বক্তব্য ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির ঐক্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশে হঠাৎ করে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় চার নেতা ছাড়া আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বঙ্গবন্ধু হত্যার পর গঠিত খন্দকার মোশতাক সরকারে যোগ দিয়েছিলেন।...