88678_freedom_of_speech
নতুন করে আলোচনায় এসেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা। সাংবাদিক প্রবীর সিকাদারের গ্রেপ্তারের পর অনেকেই এ ধারার সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। তারা বলেছেন, এ ধারাটি সংবিধানের পরিপন্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক ফেসবুকে এ নিয়ে লিখেছেন, সরকার-সমর্থক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার-হয়রানীর প্রতিবাদে সরকার-সমর্থক সাংবাদিক বা সাংবাদিক-নেতৃবৃন্দ একটা ‘সরকারি’ বিবৃতিও কি দেবেন না? নাকি দিয়েছেন? ১৭৫৭ সালে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। আরেক ৫৭ কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। ৫৭ একটি অভিশপ্ত সংখ্যা। কে জানে, হয়তো ৫৭ বছর বয়সেই মারা যাবো।
প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গতরাতে এক টিভি আলোচনায় অংশ নিয়ে স্পষ্টই মত দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুুক্তি আইনের ৫৭ ধারা সংবিধানের পরিপন্থী। তিনি বলেছেন, সংবিধান মানুষকে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দিয়েছে। এক্ষেত্রে কোন যদি কিন্তু নেই। তথ্য ও যোগাযোগ আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার তানজিব-উল আলমও একই মত দেন।
তথ্য ও যেগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোনো ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্রের ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানী প্রদান করা হয়, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ। এই অপরাধের দ- সর্বোচ্চ ১৪ বছর এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা।

হীরা পান্নাপ্রথম পাতা
নতুন করে আলোচনায় এসেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা। সাংবাদিক প্রবীর সিকাদারের গ্রেপ্তারের পর অনেকেই এ ধারার সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। তারা বলেছেন, এ ধারাটি সংবিধানের পরিপন্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক ফেসবুকে এ নিয়ে লিখেছেন, সরকার-সমর্থক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার-হয়রানীর প্রতিবাদে সরকার-সমর্থক সাংবাদিক বা...