86237_thumb_ert
‘অবৈধভাবে’ ক্ষমতা দখলকারী প্রেসিডেন্ট অবসরভাতা (পেনশন), আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধার যোগ্য হবেন না। একই সঙ্গে স্বাধীনতার পর থেকে যে পেসিডেন্ট এ সুবিধা নেননি তাদের পরিবারও এর প্রাপ্য হবেন। এ বিধান রেখে ‘প্রেসিডেন্টের অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন-২০১৫’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে অবসরে যাওয়ার পর অবসরভাতা, আনুতোষিক বা অন্যান্য সুবিধার বিষয়টি নির্ধারিত হয় ১৯৭৯ সালের ‘প্রেসিডেন্টস পেনশন অর্ডিনেন্স’ অনুযায়ী। ১৯৮৮ সালে অধ্যাদেশটি একবার সংশোধন করা হয়েছিল। সামরিক শাসনামলের জারি করা প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০১৪ সালের ১৫ই ডিসেম্বর ‘প্রেসিডেন্টের অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ এর খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করে।
সে সময় মন্ত্রিসভার দেয়া ‘অনুশাসন’ অনুযায়ী নতুন করে খসড়া প্রস্তুত করে সোমবার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয় বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, অধ্যাদেশে শুধু ছিল, যদি কোন প্রেসিডেন্ট নৈতিক স্খলন বা অন্য কোন অপরাধে আদালতে দণ্ডিত হন তাহলে অবসর ভাতা পাবেন না। নতুন আইনে এর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে- ‘অসাংবিধানিক পন্থায় অবৈধ উপায়ে প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন বা হয়েছিলেন মর্মে আদালত কর্তৃক ঘোষণা হলে তিনি অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন না। ২০১০ সালে সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী বাতিল করে হাই কোর্টের এক রায়ে বলা হয়, খন্দকার মোশতাক আহমেদ, আবু সা’দাত মোহাম্মদ সায়েম এবং জিয়াউর রহমানের মতো এইচএম এরশাদও অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী। পরের বছর আপিল বিভাগেও ওই রায় বহাল থাকে; আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করা হয়। অবসরভাতার এ আইন এরশাদ বা জিয়া কিংবা তাদের উত্তরাধীকারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তারা প্রেসিডেন্ট হিসেবে অবসরভাতা নেন না। তারা সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ভাতা নিয়ে থাকেন। আরেক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার কখনও পেনশন নেয়নি, কারণ ওই আইনটিই হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। তবে নতুন আইন পাস হলে বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধীকারীরা তা পাবেন।

কংকা চৌধুরীজাতীয়
‘অবৈধভাবে’ ক্ষমতা দখলকারী প্রেসিডেন্ট অবসরভাতা (পেনশন), আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধার যোগ্য হবেন না। একই সঙ্গে স্বাধীনতার পর থেকে যে পেসিডেন্ট এ সুবিধা নেননি তাদের পরিবারও এর প্রাপ্য হবেন। এ বিধান রেখে ‘প্রেসিডেন্টের অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন-২০১৫’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার মন্ত্রিসভার...