1438786250
মাগুরায় মায়ের গর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশু সুরাইয়া তার মায়ের স্পর্শ পেয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ১৩ দিন থাকার পর মায়ের স্পর্শ পেল শিশুটি।

মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসার পর থেকে ২১১ নম্বর ওয়ার্ডে রয়েছে সুরাইয়া। আজ দুপুরে তাকে মায়ের কোলে দেয়া হয়। নাজমা এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে শিশুটিকে দেখতে তার মা গেলেও কোলে নিতে পারেননি। দূর থেকে সন্তানকে দেখে চোখের জল ফেলেছিলেন তখন।

পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আশরাফ উল হক কাজল ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, দুপুরের দিকে নবজাতকটিকে তার মায়ের কোলে দেওয়া হয়। সে মায়ের দুধ পান করেছে। মা-শিশু ভালো আছে।

গত ২৩ জুলাই মাগুরায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন অন্ত:সত্ত্বা নাজমা বেগম। জরুরি অস্ত্রোপচারের পর মাগুরা সদর হাসপাতালে তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। মায়ের পেটে থাকা শিশুটির পিঠে গুলি লেগে বুক দিয়ে বেরিয়ে যায়। সংকটাপন্ন অবস্থায় গত রবিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুটিকে আনা হয়।

পৃথিবীতে এসেই শিশুটি মায়ের কোলছাড়া ছিল। মাতৃগর্ভে রাজনৈতিক নৃশংসতার শিকার হয়ে নিদিষ্ট সময়ের দেড় মাস আগেই এই ধরণীতে চলে আসে সে। সুন্দর পৃথিবীর আলো দেখার আগেই শিশুটি মায়ের পেটে গুলিবিদ্ধ হয়। মা নাজমা বেগমকে দ্রুত ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। জন্ম হয় এক কন্যা শিশুর। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ২৬ জুলাই নিয়ে আসা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ভর্তি খাতায় নাম লেখা হয় ‘বেবি অব নাজমা’।

শিশুটির পিঠে গুলি লেগে তা বুক দিয়ে বের হয়ে গিয়েছিল। মায়ের গর্ভে জড়সড় হয়ে থাকে সন্তান। তাই গুলিটি পিঠের ডান পাশ দিয়ে ঢুকে বুকের ডান পাশ দিয়ে বের হয়ে ডান হাত ছিদ্র করে গলায় পাশ দিয়ে ডান চোখে আঘাত লাগে। ডান চোখের কর্নিয়ায় এখনো রক্ত জমাট বেধে আছে।

তাহসিনা সুলতানাপ্রথম পাতা
মাগুরায় মায়ের গর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশু সুরাইয়া তার মায়ের স্পর্শ পেয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ১৩ দিন থাকার পর মায়ের স্পর্শ পেল শিশুটি। মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসার পর থেকে ২১১ নম্বর ওয়ার্ডে রয়েছে সুরাইয়া। আজ দুপুরে তাকে মায়ের কোলে দেয়া হয়। নাজমা এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের...